আইন-শৃঙ্খলা ও দুর্নীতি

আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –আইন-শৃঙ্খলা ও দুর্নীতি। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।

আইন-শৃঙ্খলা ও দুর্নীতি

 

আইন-শৃঙ্খলা ও দুর্নীতি

 

ক) সকল নাগরিকের জীবন ও সম্পদ রক্ষা করা এবং দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের প্রশ্নে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি বিধান অন্যতম পূর্বশর্ত। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আইন-শৃঙ্খলার প্রশ্নটিকে সামগ্রিক জাতীয় সমস্যা হিসেবে বিচার করে এ-ব্যাপারে জাতীয় ঐকমত্য গড়ে তোলার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব আরোপ করছে।

সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি দলমত নির্বিশেষে অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং চাঁদাবাজি, ছিনতাই, রাহাজানি ও নারী নির্যাতনসহ সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমন করা হবে। সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন ও নাগরিক জীবনের পূর্ণ নিরাপত্তা বিধানে আওয়ামী লীগ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

খ) শান্তিপূর্ণ সমাবেশে নৃশংস বোমা হামলাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। বোমা হামলা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অবৈধ অস্ত্রের আমদানি, আন্তর্জাতিক অস্ত্র চোরাচালানি, বেচাকেনা ও ব্যবহার কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

 

গ) দেশের অভ্যন্তরে উগ্র সাম্প্রদায়িক-ধর্ম ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও চরমপন্থি সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র তৎপরতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 ঘ) পুলিশ, বিডিআর ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর আধুনিকায়ন, তাদের সংখ্যা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণদান এবং আধুনিক সাজসরঞ্জামে তাদের সজ্জিত করা হবে। তাদের সুযোগ-সুবিধাও বৃদ্ধি করা হবে।

ঙ) ক্ষমতার অপব্যবহার, অবৈধ পন্থায় সম্পদ গড়ে তোলা, রাষ্ট্রীয় সম্পদ আত্মসাৎ করাসহ দুর্নীতির বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির দায়ে আদালতে অভিযুক্তদের বিচারকাজ ত্বরান্বিত করা এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বিধানে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আইন-শৃঙ্খলা ও দুর্নীতি

 

দুর্নীতি নির্মূল এবং প্রতিরোধে আরও কার্যকর সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি স্বাধীন ‘দুর্নীতি দমন কাউন্সিল’ গঠন করা হবে। দুর্নীতি প্রতিরোধে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামের সুপারিশ ও কার্যক্রমকে ফলপ্রসূ করতে আওয়ামী লীগ যথাযথ দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

Leave a Comment