আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –জনগণের কল্যাণ সাধনে প্রশাসন ব্যবস্থা । যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
জনগণের কল্যাণ সাধনে প্রশাসন ব্যবস্থা

বিএনপি সরকার প্রশাসনকে স্বাভাবিক নিয়মনীতি মেনে চলতে দিচ্ছে না। প্রশাসনকে ব্যাপকভাবে বিএনপিকরণ অর্থাৎ দলীয়করণ করা হয়েছে। এটা ‘আওয়ামী লীগ আতংক’-রোগে ভোগারই প্রতিক্রিয়া।
প্রশাসনে নিয়োগ, বদলি, পদোন্নতি সবকিছুই নির্ভর করে আত্মীয়স্বজন কেউ আওয়ামী লীগ করেছেন কিনা কিংবা কোন দিন তিনি আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিনা তার উপর। পরীক্ষার ফলাফল বা মেধার বিবেচনা এখন গৌণ । ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ, শিক্ষক এমনকি বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা সহ সবার বেলাই এটা প্রযোজ্য।
বিএনপি সরকারের অপকর্ম ও দুর্নীতির সাথী হতে না পারলে কেউ আইন ও বিধি মোতাবেক স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারছে না। ঘন ঘন বদলি ও ও.এস.ডি হতে হচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোট ডাকাতিতে সহযোগিতা করতে পারা না পারার উপর বিশেষ করে ডি.সি, এস.পি. টি.এন.ও এবং ওসির পদায়ন নির্ভর করছে।
আওয়ামী লীগ জনগণের সেবা ও কল্যাণের স্বার্থে গণমুখী, গতিশীল ও দল নিরপেক্ষ জবাবদিহিমূলক প্রশাসন ব্যবস্থা বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। এ ধরনের প্রশাসন ব্যবস্থা ও একটি শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা পরস্পর সম্পৃক্ত। তাই স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত চাকুরীতে নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক বিধিব্যবস্থাসমূহের বিলোপ সাধন করে মেধা ও যোগ্যতাকে ভিত্তি করা হবে।
চাকুরী কাঠামোগুলির মধ্যে বিদ্যমান মর্যাদা, বেতন ও ভাতার অযৌক্তিক তারতম্য দূর করা হবে। দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং আমলাতান্ত্রিক ও গণপদোন্নতিপ্রসূত জটিলতা দূরীকরণার্থে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে। আওয়ামী লীগ প্রশাসনে কোন প্রকার অনভিপ্রেত হস্তক্ষেপের বিরোধী।

প্রশাসনকে তার স্বাভাবিক গতিতে চলতে দেয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায়, মাস্তানি দমনে তথা প্রশাসনের সর্বক্ষেত্রে সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করতে দেয়া হবে।আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার শাস্তিপূর্ণ সমাধান করা হবে।
