আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –প্রতিনিধিত্বশীল স্থানীয় গণতান্ত্রিক সরকার । যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
প্রতিনিধিত্বশীল স্থানীয় গণতান্ত্রিক সরকার

বর্তমান সরকারের প্রশাসনিক অদক্ষতা ও দুর্নীতি জনগণের সহ্যের সীমা অতিক্রম করেছে। সাধারণ মানুষ ন্যূনতম প্রশাসনিক সেবা থেকে বঞ্চিত। যে সেবা জনগণ স্থানীয়ভাবে পাবার আশা করে, তার জন্য কেন্দ্রের দারস্থ অবস্থা হতে হয়, এবং দুর্নীতি ও হয়রানীর শিকার হয়।
সাধারণ মানুষকে এই দুর্বিষহ অবস্থা হতে মুক্তি দিতে হবে। আওয়ামী লীগের বিশ্বাস যে, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত স্থানীয় সরকারের নিকট শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইন ও শৃঙ্খলা রক্ষা,যোগাযোগ ব্যবস্থা, ত্রাণ সাহায্য, ইত্যাদি বিষয়ের বহু সিদ্ধান্তের দায়িত্ব হস্তান্তরিতকরণে প্রশাসনিক সেবার মান এব মানুষের জীবনযাত্রার মান গুণগতভাবে উন্নত হবে।
সরকারের সব পেশায় নিয়োজিত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্থানীয় সরকারের নিকট জবাবদিহির ব্যবস্থা প্রতিস্থাপন করতে হবে। আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে দৃঢ়ভিত্তিতে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বদ্ধপরিকর। এই লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ প্রশাসনের সর্বস্তরে জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করবে।
এটি শুধুমাত্র সাংবিধানিক দায়িত্বই নয়। আওয়ামী লীগ বিশ্বাস করে যে সংসদীয় গণতন্ত্রের কাঠামোকে সুসংহত রাখার জন্য স্থানীয় প্রতিটি পরে সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আইন প্রণয়ন কর প্রয়োজন।

বর্তমান ইউনিয়ন পর্যায়ের নির্বাচিত পরিষদকে প্রকৃত ক্ষমতা প্রদান করতে হবে। প্রতিটি উন্নয়ন কর্মক ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে বাস্তবায়িত করা হবে। খানা পর্যায়ে একটি নির্বাচিত পানা পরিষদ প্রতিষ্ঠিত করা হবে।
থানা পরিষদের নিজস্ব আয়ের উৎস থাকবে। তার সঙ্গে সরকারের বাজেটের মাধ্যমে অনুদানও দেয়া হবে। জেলা পর্যায়েও একটি নির্বাচিত পরিষদ গঠন করা হবে। এই পরিষদের পর্যাপ্ত প্রশাসনিক উন্নয়ন ও আর্থিক ক্ষমতা থাকরে।
