আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কর্মকাণ্ড। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কর্মকাণ্ড

আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আমাদের জন্য অনুমাত্র আওয়ামী লীগের নামে একটি বিশাল সংগঠনই রেখে যাননি, তিনি আমাদের জন্য ও জাতির জন্য উত্তরাধিকার হিসাবে রেখে যাননি, তিনি আমাদে জন্য ও জাতির জন্য উত্তরাধিকার হিসাবে রেখে গেছেন এক বিশাল আওয়ামী পরিবার, থাকে রাজনীরিক পরি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের এক বিশাল পরিমণ্ডল হিসাবে আখ্যায়িত করা যেতে পারে।
বঙ্গবন্ধুর এই বিশাল পরিওমন্ডলে আওয়ামী লীগ ও প্রধান শক্তি হিসাবে বিবেচিত হলেও বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, আওয়ামী যুব লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ, বাংলাদেশ কৃষক লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগ এক একটি সহায়ক শক্তি বা আওয়ামী পরিবারের ঠন সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে হলেও মূলশক্তি বাংলাদেশ আওয়ামী -সাধারণ সম্পাদিকা হিসাবে দু-একটি কথা বলা প্রয়োজন – প্রতাপ দুর্বল হলে কোন মানুষকেই যেমন সুস্থ- সবল বলা যেতে পারে না, তেমনি এই সংগঠনসমূহের যে-কোন একটিও যদি দুর্বল হয়, তার প্রস্তাব দেই বা সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপর পড়তে বাধ্য।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
১৯৪৮ সনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এদেশের ছাত্র সমাজকে ঐক্যবদ্ধ শক্তি হিসাবে গড়ে তোলা এবং যে কোন আন্দোলনে দেশের সব চাইতে সচেতন অংশ হিসাবে ছাত্র সমাজ যাতে যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারে, সেই লক্ষ্যে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের মহান চেতনার আলোকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন।
সেই প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এই সংগঠনটি দেশের গণমানুষের এবং ছাত্র-সমাজের স্বার্থে সকল আন্দোলন ও সংগ্রামে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে আসছে এবং সহযোগী সংগঠন হিসাবে আওয়ামী লীগ সূচিত প্রতিটি আন্দোলনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন, করেছে। বঙ্গবন্ধু এই সংগঠনটিঝে সব সময় অগ্রবর্তী বাহিনী হিসাবে বিবেচনা করতেন।

তাই আমরাও বিশ্বাস করি, ” আগামী দিনের প্রতিটি সংগ্রামে ও আন্দোলনে এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শ শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার নিরবচ্ছিন্ন লড়াইয়ে ছাত্রলীগ অগ্রবর্তী বাহিনীর ভূমিকা পালন করবে। সাথে সাথে ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কর্মীবাহিনী সৃষ্টির কর্মশালা। হিসাবে নিজেদেরকে গড়ে তুলবে।
