আইয়ুব খান ও মৌলিক গণতন্ত্র

আজকে আমদের আলোচনার বিষয় আইয়ুব খান ও মৌলিক গণতন্ত্র

আইয়ুব খান ও মৌলিক গণতন্ত্র

 

আইয়ুব খান ও মৌলিক গণতন্ত্র

 

আইয়ুব খান ও মৌলিক গণতন্ত্র

জেনারেল আইয়ুব ১৯৫৮ সালে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েই পাকিস্তানের শাসন কাঠামো এবং রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের উদ্যোগ নেন। তাঁর এই প্রয়াস ইতিবাচক ছিল কিনা তাতে সন্দেহ আছে। তবে অভিনব যে ছিল সে বিষয়ে কেউই দ্বিমত পোষণ করেন না। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হবার পর থেকে আইয়ুব খানের ক্ষমতায় আসার পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘ নয় বছরের ভেতরও পাকিস্তানে কোন সাধারণ নির্বাচন হয় নি।

ফলে কখনোই জাতীয়ভিত্তিক নির্বাচনী কাঠামো নিশ্চিত হয়নি। আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করে পাকিস্তানে একটি নতুন ধরনের নির্বাচনী কাঠামো প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মূল ভিত্তি ছিল মৌলিক বা বুনিয়াদী গণতন্ত্র । মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে এক ধরনের সীমিত গণতন্ত্র যাতে কেবলমাত্র কিছু নির্দিষ্ট লোকের অধিকারে জাতীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের অধিকার ছিল।

মৌলিক গণতন্ত্রের উদ্দেশ্য

আইয়ুব খান ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে মৌলিক গণতন্ত্র নামক একটি সম্পূর্ন ভিন্ন ধরনের সরকার পদ্ধতি চালু করেন। অধ্যাপক মাজহারুল ইসলাম মত দিয়েছেন যে, আইয়ুবের অনুরোধে ক’জন মার্কিন বিশেষজ্ঞ এই পদ্ধতির কাঠামো তৈরি করেন। এখন প্রশ্ন হলো আইয়ুব খান কেন এমন পদ্ধতির প্রতি আগ্রহবোধ করলেন।

এর কারণ হলো তিনি সংসদীয় পদ্ধতিকে অপছন্দ করতেন এবং মনে করতেন পাকিস্তানের মত একটি দেশে সংসদীয় পদ্ধতি অচল। এখানে পাশ্চাত্য ধাঁচের গণতন্ত্র অচল বলে তিনি মনে করতেন। সুতরাং এদেশের উপযোগী একটা নতুন মডেল তৈরির উদ্দেশে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তিত হয়। বিশেষজ্ঞরা অবশ্য মনে করেন, মৌলিক গণতন্ত্র চালুর মাধ্যমে আইয়ুব খান সারা দেশে একটি ক্ষমতার বলয় গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন।

মৌলিক গণতন্ত্রের বর্ণনা

১৯৫৯ সালের ২৬ অক্টোবরের ঘোষণা অনুসারে পাকিস্তানে মৌলিক গণতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। এর মাধ্যমে দেশে একটি চার স্তর বিশিষ্ট পিরামিড আকৃতির কাঠামো সৃষ্টি করা হয়। স্তরগুলো হচ্ছে ইউনিয়ন কাউন্সিল, থানা কাউন্সিল, জেলা কাউন্সিল এবং বিভাগীয় কাউন্সিল। ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।

এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল। এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল। মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে। এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার।

এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো। এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন। নির্বাচকমন্ডলী: মৌলিক গণতন্ত্রে ৮০ হাজার যে বি.ডি. মেম্বার ছিল তারাই ছিলেন দেশের মূল নির্বাচকমন্ডলী। জনগণের একমাত্র বি.ডি মেম্বার নির্বাচন করা ছাড়া আর বিশেষ কিছু করার ছিল না বিধায় এদেরকে প্রকৃত নির্বাচক বলা যায় না।

বি.ভি. মেম্বারগণ সংখ্যায় তারা যত নগণ্যই হন না কেন তারাই ছিলেন প্রকৃত নির্বাচক। এদের মাধ্যমেই রাষ্ট্রপতি, জাতীয় এবং প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যবৃন্দ নির্বাচিত হবেন বলে বিধান করা হয়।

মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায় নির্বাচন

আইয়ুব খান ক্ষমতায় এসে সামারিক শাসনের আওতায় বেশ কিছুদিন দেশ শাসনের পর মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন এবং পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানে ৮০ হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী নির্বাচিত হয়। এরা আইয়ুবের শাসনকে বৈধতা দেবার জন্য মোট দু’বার তাঁকে ভোট দান করেন।

১৯৬০ সালের হ্যাঁ/না ভোট:

দু’বছর সামারিক শাসনের পর আইয়ুব তাঁর সরকারকে এক বেসামরিক রূপ দিতে উদ্যোগী হন। এজন্য তাঁর প্রয়োজন ছিল নির্বাচনের। সুতরাং মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায় ১৯৬০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হলো প্রেসিডেন্টের ওপর আস্থা আছে কিনা সে বিষয়ে হ্যাঁ/না নির্বাচন। এই নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে কোন প্রতিদ্বন্দ্বি ছিল না। ছিল শুধু দু’টি বাক্স।

একটি ‘হ্যাঁ’ বাক্স এবং অন্যটি ‘না’ বাক্স। প্রেসিডেন্টের ওপর আস্থা আছে কিনা সেটি জানাতে বি.ডি. মেম্বারগণ হ্যাঁ বা না বাক্সে তাদের ভোট দিয়েছেন। তবে ব্যালটে সীল মারার কোন বিধান ছিল না। সুতরাং পূর্বেই যেমন অনুমান করা গিয়েছিল তেমনভাবেই আইয়ুব খান শতকরা প্রায় ৯৫টি ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য।

১৯৬২ সালের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন:

১৯৬০ সালে গঠিত শাসনতন্ত্র কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ১৯৬২ সালের ২৮ এপ্রিল জাতীয় পরিষদ ও ৬ মে প্রাদেশিক পরিষদের পরোক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়। ছাত্ররা শেষপর্যন্ত এই নির্বাচনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুললে আওয়ামী লীগ ও ন্যাপ নির্বাচনে অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকে ।

 

১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন:

হ্যাঁ/না ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে পাঁচ বছর ক্ষমতা ভোগ করার পর ১৯৬৫ সালে আবারো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রয়োজন পড়ে আইয়ুব খানের। ৬৫ সালের নির্বাচন আইয়ুব খানের ৬০ সালের মত সহজ হয়নি। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন ফাতেমা জিন্নাহ এ নির্বাচনে সম্মিলিত বিরোধী দলের বা সংক্ষেপে কপের প্রার্থী হিসাবে আইয়ুবের বিরুদ্ধে দাঁড়ান।

সম্মিলিত বিরোধী দলের নির্বাচনী প্রচারণার মুখে আইয়ুব খান অনেকটা বিব্রতকর অবস্থায় পড়েন। শেষপর্যন্ত তিনি জয়লাভ করেন তবে পূর্ববঙ্গে ফাতেমা জিন্নাহ ভালো ভোট পেয়েছিলেন।

মৌলিক গণতন্ত্রের মাধ্যমে স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তসমূহ

মৌলিক গণতন্ত্র প্রকৃতপক্ষে কোন গণতন্ত্র ছিল না। বরং এটি ছিল অনেকটা স্বৈরতান্ত্রিক কৌশল। এই পদ্ধতির মাধ্যমে ক্ষমতা সংহত করে আইয়ুব খান দেশের বিরোধী নেতা-কর্মীদের জব্দ করার পথ ধরেন।

পোডো এবং এবডো:

পোডো (PODO, Public Office Disqualification Order) এবং এবডো (EBDO, Elective Bodies Disqualification Order) দেশের বিরোধী রাজনীতিবিদদের জব্দ এবং হয়রানি করার জন্য দু’টি নিবর্তনমূলক আইন আইয়ুব সরকার কর্তৃক জারি করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে রাজনৈতিক নেতাদের বিচারের জন্য বিশেষ আদালত গঠন করা হয় এবং সেখানে অভিযুক্ত ব্যক্তি আইনজীবীর সহায়তা পেতেন না।

বিচারের মাধ্যমে শাস্তি হিসাবে রাজনৈতিক নেতা বা নির্বাচিত ব্যক্তিদের বিভিন্ন মেয়াদের জন্য রাজনীতিতে, সরকারি পদের জন্য বা এমন অন্যকোন কাজের জন্য অযোগ্য ঘোষণা করা হতো। শুধু এবডো আইনের মাধ্যমেই প্রায় ৮৭৭ জন রাজনীতিবিদ অযোগ্য ঘোষিত হন। তাঁদের মধ্যে শহীদ সোহরাওয়ার্দী, খান আবদুল গাফফার খান, মিয়া দৌলতানা প্রমুখ অন্যতম।

নেতৃবৃন্দ গ্রেফতার ও হয়রানি:

সামরিক শাসন জারি হবার পর রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার এবং হয়রানি একটি নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। দেশে মৌলিক গণতন্ত্রের মত একটি ব্যবস্থা চালু হবার পরও এই অবস্থা বহাল ছিল। বিরোধী রাজনীতিবিদরা আপ্রাণ চেষ্টা করছিলেন সরকার বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলতে। কিন্তু ১৯৬২ সালের ভেতরই সোহরাওয়ার্দীসহ দেশের প্রধান প্রধান নেতাদের গ্রেফতার ও হয়রানির মাধ্যমে সরকার এসব উদ্যোগের জবাব দেন।

১৯৬২ সালের সংবিধান এবং স্বৈরতন্ত্র:

১৯৬২ সালে আইয়ুব খান পাকিস্তানকে একটি উদ্ভট সংবিধান উপহার দেন। এর মাধ্যমে ১৯৫৬ সালের সংসদীয় ধাঁচের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল হয়ে যায়। ১৯৬০ সালে বিচারপতি সাহাবুদ্দিনকে চেয়ারম্যান করে এক কমিশন গঠিত হয়। কমিশন সংবিধানের রূপরেখা সম্পর্কে ধারণা দেন। তবে শেষপর্যন্ত ১৯৬২ সালে যে সংবিধান প্রণীত হয় সেটি আইয়ুবের সংবিধান নামে পরিচিত।

এই সংবিধানটি প্রণয়ন করাই হয়েছিল আইয়ুবের স্বৈরতন্ত্রকে পাকাপোক্ত করার জন্য। এর ভেতর ধর্মকে এনে বিচার বিভাগের ক্ষমতা খর্ব করে গণতান্ত্রিক কাঠামো ধ্বংস এবং সর্বাপেক্ষা বড় কথা একটি রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ১৯৬২ সালের সংবিধানের মাধ্যমে স্বৈরতন্ত্র পাকাপোক্ত করার বন্দোবস্ত করা হয়েছিল।

ফলাফল

আইয়ুব প্রায় দশ বছর ধরে দেশ শাসন করেছিলেন। এই দশ বছরের বেশিরভাগ সময় দেশ শাসিত হয়েছিল। মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায়। মৌলিক গণতন্ত্র পদ্ধতি হিসাবে পাকিস্তানের জন্য কোন শুভ ফল বয়ে আনেনি, এটি পরবর্তী ঘটনাবলীর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। মৌলিক গণতন্ত্রের মাধ্যমে যে অভিজাততন্ত্রের সূচনা হয় তা পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক কাঠামো এবং পরিবেশের পথ বন্ধ করে দেয়।

সমাজে এক শ্রেণীর সুবিধাভোগীর সৃষ্টি হয়। এতে করে বৈষম্য আরো বেড়ে যায়। পরিণতিতে সামাজিক অস্থিরতা দেখা দেয়। আইয়ুবের সামরিক শাসনের প্রথম দিকে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের মধ্যেই সামরিক শাসন সম্পর্কে যে মোহ ছিল মৌলিক গণতন্ত্রসহ বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের মাধ্যমে সেই মোহভঙ্গ হয়। ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রলীগের নেতৃত্বে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন ক্রমে প্রসার লাভ করে।

ছাত্রদের এই আন্দোলন ১৯৬২ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঞ্জুর কাদেরকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপদস্থ এবং আইয়ুবের ঢাকা আগমন বিরোধী বিক্ষোভে প্রসার লাভ করে। এসময় সোহরাওয়ার্দীর গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোও সরকার বিরোধী আন্দোলনে যুক্ত হয়।

প্রেসিডেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর আযম খানের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় মতানৈক্য দেখা দিলে বাঙালি দরদী নামে পরিচিত আযম খান পদত্যাগ করেন। তবে ১৯৬২ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচিত নির্দলীয় সদস্যরা আইয়ুব খানের প্রবল চাপ ও প্রলোভনের পরও সরকারি দলে যোগ দিতে প্রথম ইতস্তত করেছেন।

অবশ্য পাকিস্তানের সেই অকর্মণ্য সংসদও শেষপর্যন্ত গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অনুকূলে কিছুটা ভূমিকা রেখেছে। ১৯৬২ সালেই রাজনৈতিক দল কর্তৃক শাসনতন্ত্র প্রত্যাখ্যাত হয়। ছাত্র আন্দোলন দমনে আইয়ুব গঠন করেন তার নিজস্ব পেটোয়া বাহিনী এন. এস. এফ. । অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও চরম স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব সত্ত্বেও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে চরম সংকট দেখা দেয়।

এর পরিণতিতে ১৯৬৬ সালে আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন যা বাঙালি জাতির মুক্তির দাবিতে পরিণত হয়। পূর্ববঙ্গের মানুষ মৌলিক গণতন্ত্রের মাধ্যমে উদ্ভূত দুঃশাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন শুরু করে। এই আন্দোলন এতই বিস্তার লাভ করে যে আইয়ুব খানের ক্ষমতার ভিত নড়ে যায় এবং ১৯৬৯ সালে তাঁর পতন ঘটে।

সারসংক্ষেপ

আইয়ুব খান তাঁর ক্ষমতার ভিত পোক্ত করার জন্য মৌলিক গণতন্ত্র নামক যে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া চালু করেন সেটি দেশের জন্য স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয়েছে। এবং একই সঙ্গে তাঁর পতনেরও কারণে পরিণত হয়েছে। তাঁর পরবর্তী শাসক ইয়াহিয়া খান তাই এই ব্যবস্থা বাতিল করে জনগণের সরাসরি ভোটে জনপ্রতিনিধি নিয়োগের ব্যবস্থাও করেন।

সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি

১। হাসান হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র, ২য় খন্ড, ঢাকা, তথ্য ও বেতার মন্ত্রণালয়, ১৯৮৩।

২। সালাহউদ্দীন আহমদ ও অন্যান্য সম্পাদিত, বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাস, ১৯৪৭-১৯৭১, ঢাকা, আগামী প্রকাশনী, ১৯৯৭ ।

৩। মুহাম্মদ আইয়ুব খান, প্রভু নয় বন্ধু, ঢাকা, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস, ১৯৬৮।

 

আইয়ুব খান ও মৌলিক গণতন্ত্র

 

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নঃ

১। মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের উদ্দেশ্য কি ছিল লিখুন।

২। মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনের বর্ণনা দিন।

৩। মৌলিক গণতন্ত্রের ফলাফল লিখুন।

রচনামূলক প্রশ্নঃ

১। মৌলিক গণতন্ত্র সম্পর্কে একটি রচনা লিখুন।

Leave a Comment