আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –সদস্যপদের কার্ড এবং চাঁদা। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
সদস্যপদের কার্ড এবং চাঁদা

সপ্তম ধারা
(১) পূর্ণ সদস্যপদ লাভের পর সদস্যকে দলের সদস্যপদের কার্ড দেওয়া হইবে। পূর্ণ সদস্যের কার্ড সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত পার্টির কার্যনির্বাহী-কমিটি গ্রহণ করিবে।
(২) দলের কার্যনির্বাহী-কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত হারে কিংবা কার্যনির্বাহী-কমিটি কর্তৃক প্রণীত নিয়মানুসারে প্রত্যেক পূর্ণ সদস্যকে তাঁহার আয়ের নির্দিষ্ট একটি অংশ দলের তহবিলে দান করিতে হইবে।
(৩) বিশেষ ক্ষেত্রে কার্যনির্বাহী-কমিটি সদস্যপদের দেয় চাঁদা এবং অনুদান মওকুফ করিতে পারিবে।
সদস্যের কর্তব্য
অষ্টম ধারা
(১) দলের যে সংগঠনের তিনি সদস্য, সেই সংগঠনের কাজে তিনি নিয়মিতরূপে অংশগ্রহণ করিবেন। তিনি দলের নীতি, সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ কার্যকরী করিবেন। ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে থাকিয়া তিনি জনগণ ও দলের স্বার্থের অনুকূলে কাজ করিবেন।
তিনি জনসংযোগের মাধ্যমে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও অভাব-অভিযোগ সম্পর্কে অবহিত হইবেন এবং তাহাদের বক্তব্য ও মতামত দলের নিকট রিপোর্ট করিবেন।
পারস্পরিক মানবিক মর্যাদাবোধ ও সহানুভূতিপূর্ণ মনোভাব লইয়া জনগণের সহিত মেলামেশা করিয়া তাঁহাদের সঙ্গে বন্ধুসুলভ ও ভ্রাতৃপ্রতিম সম্পর্ক তিনি গড়িয়া তুলিবেন। তাঁহার ব্যক্তিগত ও সামাজিক কার্যকলাপে যাহাতে তাঁহার আচরণে সদাচার, সত্যপরায়ণতা, নৈতিকতা ও বিনয়-মাধুর্য প্রকাশ পায় সেইদিকে তাঁহাকে দৃষ্টি রাখিতে হইবে।
(২) তিনি দলের আভ্যন্তরীণ ঐক্য ও সংহতি সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করিতে সর্বদা তৎপর থাকিবেন, নিজের রাজনৈতিক এবং সমাজতন্ত্র সম্পর্কিত জ্ঞান ও সচেতনতার মান উন্নয়নে সদা সচেষ্ট থাকিবেন, দলের প্রচারিত পত্র-পত্রিকা ও সাহিত্য পাঠ করিবেন এবং প্রচার করিবেন। তিনি দলের নিয়ম-শৃঙ্খলা ও গঠনতন্ত্র মানিয়া চলিবেন এবং দলের চাঁদা ও অনুদান নিয়মিতভাবে পরিশোধ করিবেন ।

(৩) তিনি গঠনমূলক আলোচনা ও আত্মসমালোচনার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে কার্য পরিচালনা পদ্ধতির উৎকর্ষ সাধনকরিবেন। সমবেতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও উহা কার্যকর করিবার জন্য তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগ গ্রহণ এবং দায়িত্ব পালন করিবেন ।
(৪) তিনি নিষ্ঠা ও সততার সহিত নিজের পেশাগত কাজের যোগ্যতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সর্বদা সচেষ্ট থাকিবেন ।
