আজকে আমদের আলোচনার বিষয় আকবরের রাজস্বনীতি
আকবরের রাজস্বনীতি

আকবরের রাজস্বনীতি
মধ্যযুগের ভারতবর্ষে মুসলিম শাসকদের মধ্যে সুলতান আলাউদ্দিন খলজী সর্বপ্রথম ভূমি জরিপের মাধ্যমে কৃষকদের সাথে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক স্থাপনপূর্বক রাজস্ব ব্যবস্থার সূচনা করেছিলেন। রাজস্ব আদায়কারী যাতে কৃষকদের নিকট থেকে বেশি পরিমান অর্থ বা শস্য জোর করে আদায় করতে না পারে আলাউদ্দিন খলজী সে ব্যবস্থা করে আধুনিক মনের পরিচয় দিয়েছিলেন।
আলাউদ্দিনের পর শেরশাহই প্রথম উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন যে, ভারতের মতো কৃষি প্রধান দেশে ভূমি-রাজস্বই হল অর্থনীতির মেরুদন্ড। তাই তিনি দেশের সমস্ড় জমি জরিপ করে রাজস্ব পদ্ধতিকে জন কল্যাণকর করতে সচেষ্ট হন। শেরশাহের স্বল্পকালীন শাসনে তাঁর রাজস্ব ব্যবস্থা সর্বত্র কার্যকরী হয়নি।
তাছাড়া শেরশাহের মৃত্যুর পর তাঁর দুর্বল উত্তরাধিকারীদের সময় বিশৃক্মখলার ফলে তাঁর রাজস্ব পদ্ধতি অকার্যকর হয়ে পড়ে। হুমায়ুনের স্বল্পকালীন রাজত্বে এই ব্যবস্থার কোন উন্নতি হয়নি। আকবর শেরশাহ কর্তৃক অনুসৃত নীতি অবলম্বন করে রাজস্ব পদ্ধতিকে আরো বিজ্ঞানসম্মত করে আধুনিক রাজস্ব ব্যবস্থার সূত্রপাত করেন।
এ সম্পর্কে ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ বলেন, আকবরের রাজস্বনীতি ছিল নিখুঁত এবং রাজস্ব ব্যবস্থা ছিল প্রশংসনীয়। আকবরের রাজস্বনীতির মূল লক্ষ্য ছিল দু’টি-
১) অধিক পরিমাণে রাজস্ব আদায় করা এবং আয় বৃদ্ধি করা;
২) প্রজাসাধারণকে সুখে সমৃদ্ধিতে রাখা।
এই দু’টি আপাত বিরোধী নীতির সমন্বয় সাধনের জন্য প্রয়োজন ছিল সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও সঠিক রাজস্ব পদ্ধতির প্রবর্তন। এই উদ্দেশ্যে প্রতিভাদীপ্ত শাসক আকবর রাজ্য জয়ের সঙ্গে সঙ্গে সেখানে শান্তি-শৃক্মখলা প্রতিষ্ঠা করে রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনে মনোনিবেশ করেন। আকবর সর্বপ্রথম খাজা আবদুল মজিদকে দিওয়ান পদে নিযুক্ত করে রাজস্ব ব্যবস্থার উন্নতি সাধনের চেষ্টা করেন।
দিওয়ান খাজা আবদুল মজিদ প্রত্যেক সরকারের রাজস্ব নির্ধারণ এবং উৎপাদিত শস্যের আদর্শ দর নির্ধারণের প্রয়াস চালান। কিন্তু তিনি বিশেষ সফলতা অর্জন করতে পারেননি। অতপর আকবর মুজাফফর খান তুরবর্তীকে দিওয়ান পদে নিয়োগ দিয়ে রাজস্ব ব্যবস্থা সংস্কারের চেষ্টা করেন। তুরবর্তী রাজা টোডরমলের সহায়তায় রাজস্ব সম্পর্কীয় পরিসংখ্যান সংগ্রহের জন্য দশজন কানুনগো নিযুক্ত করেন।
কানুনগোগণ সুনির্দিষ্ট কতগুলো সুপারিশ প্রদান করেন। কিন্তু উজবেক বিদ্রোহ দমনে আকবর ব্যস্ত থাকার দরুন এ ব্যাপারে মনোনিবেশ করতে পারেননি। ১৫৭৩ খ্রি. গুজরাট মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত হলে আকবর রাজস্ব সংস্কারে পুনরায় মনোযোগ দেন। তিনি রাজা টোডরমলকে গুজরাটের ভূমি-রাজস্ব সংস্কারের দায়িত্ব অর্পণ করেন। টোডরমল সর্বপ্রথম গুজরাটের সমস্ত জমি-জরিপ করে ভূমির গুণ ও আয়তন অনুসারে রাজস্ব নির্ধারণ করেন।
গুজরাটে সাফল্য লাভের পর সামগ্রিকভাবে সমস্ত জমি জরিপ ও কর নির্ধারণের জন্য টোডরমল নিযুক্ত হন। ১৫৭৫ খ্রি. বাংলা, বিহার ছাড়া সাম্রাজ্যের সমস্ত জমি খালসায় বা খাস বাদশাহী তত্ত্বাবধানে আনা হয় এবং জায়গীর বিলুপ্ত করা হয়। সমগ্র সাম্রাজ্যকে ১৮২টি পরগণায় বিভক্ত করে প্রত্যেক পরগণায় একজন ‘করোরী’ নামক রাজস্ব সংগ্রাহক নিযুক্ত করা হয়।
কিন্তু করোরীদের অত্যাচার ও উৎকোচ গ্রহণের ফলে কৃষকদের জীবন দুর্বিষহ হলে আকবর করোরী দপ্তর বন্ধ করে দিয়ে পুরাতন রাজস্ব সংগ্রহের পদ্ধতি চালু করেন। ১৫৮২ খ্রি. আকবর টোডরমলকে দিওয়ান-ই-আশরাফ বা প্রধান রাজস্ব সচিব নিযুক্ত করলে টোডরমল রাজস্ব নীতির আমূল পরিবর্তন করেন। তাঁর রাজস্ব নীতির প্রধান লক্ষ্য ছিল-
(১) আবাদী জমির নির্ভুল জরিপ করা;
(২) প্রত্যেক বিঘার উৎপন্ন শস্যের গড় নির্ণয় করা;
(৩) প্রত্যেক বিঘার রাজস্বের হার নির্ধারণ করা।
টোডরমল কৃষি জমিগুলো জরিপের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা অবলম্বন করেন। ইলাহী গজ নামে এক প্রকারের নির্দিষ্ট পরিমাপের সাহায্যে তিনি জমির পরিমাপের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। কৃষি জমি পরিমাপের পর উর্বরতা অনুযায়ী জমিগুলোকে চার শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয় :
পোলাজ : সর্বোৎকৃষ্ট জমিগুলো পোলাজ নামে অভিহিত হতো। এরূপ জমি প্রত্যেক বৎসর চাষ করতে পারতো এবং এক বৎসরের জন্যও তা অকর্ষিত থাকতো না। কাজেই পোলাজ জমির জন্য প্রতি বৎসর খাজনা আদায় করা হতো।
পারাউতি : কয়েক বৎসর চাষাবাদের পর উর্বরাশক্তি বৃদ্ধির জন্য মাঝে মাঝে এই জমিগুলোর চাষ বন্ধ রাখতে হতো।
চাচর : এরূপ জমি তিন/চার বৎসরের জন্য চাষাবাদ বন্ধ থাকতো।
বঞ্জর : এসব জমি পাঁচ বা ততোধিক বৎসর পতিত থাকতো। এগুলোকে সাধারণভাবে অনুর্বর জমি বলে মনে করা যেতে পারে।
প্রত্যেক কৃষকের অধীনে তিন প্রকারের জমিই থাকতো। টোডরমল রাজস্ব বিভাগের দায়িত্বভার গ্রহণের পর দশ বৎসর পূর্বেকার (১৫৭০-১৫৮০ খ্রি.) শস্যের উৎপাদন অনুসারে উল্লেখিত প্রথম তিন শ্রেণীর জমিকে উত্তম, মধ্যম ও অধম এই তিন পর্যায়ে বিভক্ত করে এবং উৎপন্ন শস্যের গড় হিসাব করে শস্যের এক- তৃতীয়াংশ দেয় রাজস্ব হিসেবে নির্ধারণ করেন।
সাম্রাজ্যের প্রত্যেক পরগণার জন্য পৃথক পৃথকভাবে রাজস্বের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। জমির উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধির ব্যবস্থাও ছিল। টোডরমল রাজস্ব নির্ধারণের পর রাজস্ব আদায়ের নীতি গ্রহণ করেন। পূর্বে সাধারণত শস্যের বাজার দর নির্ধারণপূর্বক তার সমপরিমাণ রাজস্ব আদায় করার ব্যবস্থা ছিল।
কিন্তু প্রত্যেক বৎসর বাজার দর নির্ধারণ করে কৃষকদের নিকট থেকে নির্দিষ্ট সময়ে রাজস্ব আদায় করা ঝামেলার ব্যাপার ছিল। তাই টোডরমল দশ বৎসরের বাজার দর নিরূপণ করে তার গড় হিসেবে বাজার দর নির্ধারণ করে রাজস্ব নির্দিষ্ট করেন। কৃষকদেরকে জমির উৎপন্ন ফসল অথবা নগদ অর্থের দ্বারা রাজস্ব পরিশোধ করার সুবিধা দেওয়া হয়।
এই ব্যবস্থা ‘জাবতি’ ব্যবস্থা নামে পরিচিত। এই ব্যবস্থা প্রবর্তনের ফলে কৃষক এবং কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে প্রত্যক্ষ সম্পর্ক স্থাপিত হয়। ‘জাবতি’ ব্যবস্থা ‘আইন-ই-দশশালা’ নামে পরিচিত ছিল। এই ব্যবস্থা বিহার, এলাহাবাদ, মুলতান, আগ্রা, দিল্লি, লাহোর, আজমীর, গুজরাট এবং রাজপুতনার অংশবিশেষে প্রবর্তিত হয়। আকবরের সময়ে ‘জাবতি’ ব্যবস্থা ছাড়াও ভূমি-রাজস্ব আদায়ের আরো দু’টি ব্যবস্থা প্রচলিত ছিল।
এই ব্যবস্থাগুলো ‘গাল্লাবক্স’ এবং ‘নক্স’ নামে পরিচিত। গাল্লাবক্স শব্দের অর্থ ফসল ভাগ। এই ব্যবস্থায় জমির উৎপাদিত শস্যের এক-তৃতীয়াংশ রাজস্ব হিসেবে আদায় করা হতো। এতে ভূমি জরিপ করা বা শস্যের বাজার দর নির্ধারণ করার কোন প্রয়োজন পড়তো না। এই ব্যবস্থা সিন্ধু, কাশ্মির এবং কাবুলের অংশবিশেষে প্রবর্তিত হয়েছিল। নক্স ব্যবস্থা বহুলাংশে জমিদারী ব্যবস্থার অনুরূপ ছিল।
এই ব্যবস্থায় জমি জরিপের পর উৎপাদনের ভিত্তিতে রাজস্বের পরিমাণ নির্ধারণের পরিবর্তে অনুমানের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হতো। এই ব্যবস্থা একমাত্র বাংলায় প্রচলিত ছিল। আকবর ভূমি-জরিপ এবং উৎপাদিত শস্যের ওপর ভিত্তি করে রাজস্ব নির্ধারণে যে যোগ্যতা ও দক্ষতা দেখিয়েছেন, তেমনি সুষ্ঠুভাবে রাজস্ব আদায়েও অনুরূপ কৃতিত্ব প্রদর্শন করেছেন। রাজস্ব আদায় এবং শাসন ব্যবস্থার সুবিধার জন্য আকবর সমগ্র সাম্রাজ্যকে ১৫টি সুবায় ভাগ করেন।
প্রতিটি সুবাকে কয়েকটি সরকারে এবং প্রতিটি সরকারকে কয়েকটি পরগণায় বিভক্ত করেন। আকবর কেন্দ্রে একজন দেওয়ান এবং প্রত্যেক সুবায় একজন করে দেওয়ান নিযুক্ত করে রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব অর্পণ করেন। প্রত্যেক সরকারে থাকতেন একজন আমিন। আমিনকে সহযোগিতা করার জন্য বিতিকচি, পোদ্দার, কানুনগো, চৌধুরী, পাটোয়ারী এবং মুকাদ্দম প্রমুখ কর্মচারী নিযুক্ত ছিলেন।
আমিনকে রাজস্ব আদায়ের ব্যাপারে বহু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে হতো। কৃষকগণ যাতে কোনরকমে উৎপীড়িত না হয় সেদিকেও আমিনকে লক্ষ্য রাখতে হতো। নির্দিষ্ট রাজস্বের বেশি আদায় একেবারে নিষিদ্ধ ছিল। রাজস্ব বিভাগের প্রতিটি কর্মচারীর হিসাব পরীক্ষা করার দায়িত্ব ছিল আমিনের। সমস্ত আবাদী জমি যাতে কৃষি কার্যে নিয়োজিত হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা আমিনের কর্তব্য ছিল।
‘বিতিকচি’ ছিলেন আমিনের সমমর্যাদাসম্পন্ন অপর রাজস্ব কর্মচারী। তার দায়িত্ব ছিল জমির নথিপত্র সংরক্ষণ করা এবং কানুনগোদের কর্মকান্ড পর্যবেক্ষণ এবং আদায়ী করের তালিকা প্রস্তুতপূর্বক কেন্দ্ৰীয় সরকারের নিকট প্রেরণ করা। পোদ্দারের দায়িত্ব ছিল কৃষকদের নিকট থেকে নির্ধারিত কর গ্রহণ করে তাদের রশিদ প্রদান করা। ‘পরগণা’ স্তরে গুরুত্বপূর্ণ কর্মচারী ছিলেন চৌধুরী।
স্থানীয় ভূমি রাজস্বের পরিচালনার সঙ্গে তিনি একাধিকভাবে জড়িত ছিলেন। চৌধুরীর দপ্তরটি বংশানুক্রমিক ছিল। প্রতিটি গ্রামের রাজস্ব কর্মচারী হলেন মুকাদ্দম ও পাটোয়ারী। আকবর কৃষকদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সর্বদা যত্নবান ছিলেন। অনাবৃষ্টি বা অতিবৃষ্টির ফলে ফসলহানি ঘটলে কৃষকদের খাজনা মওকুফ করে দিতেন। দুর্ভিক্ষ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় কৃষকগণকে ঋণ প্রদান করতেন । কোন রাজস্ব আদায়কারী অপরাধ করলে তাকে শাস্তি দেওয়া হতো।
রাজস্বনীতির ফলাফল
আকবরের রাজস্বনীতির ফলে সাম্রাজ্যের কৃষক ও রাষ্ট্রের মধ্যে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ঘটে। এতে উভয়পক্ষ লাভবান হয় ।
প্রথমত, রাজস্বের পরিমাণ সুনির্দিষ্ট হওয়ায় অন্যায়ভাবে কর আদায়ের পথ বন্ধ হয় ।
দ্বিতীয়ত, জমির ওপর কৃষকের অধিকার স্বীকৃত হওয়ায় কৃষককে জমিচ্যুত করার সম্ভাবনা দূর হয়।
তৃতীয়ত, পূর্ববর্তী মুসলিম শাসকদের শাসনামলে রাজস্বের ক্ষেত্রে যে অনিশ্চয়তা ও বিশৃক্মখলা দেখা দিয়েছিল নতুন ব্যবস্থা তার অবসান ঘটিয়ে শৃক্মখলা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়।
চতুর্থত, রাজস্ব ব্যবস্থার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের ফলে কৃষকগণ আর্থিকভাবে লাভবান হয় এবং সমৃদ্ধশালী হয়ে ওঠে।
পঞ্চমত, অনাবৃষ্টি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ফসল নষ্ট হলে রাজস্ব মওকুফের নীতি এবং কৃষকদের ঋণ প্রদান ইত্যাদি কৃষকদের উৎসাহিত করে।
ষষ্ঠত, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে রাষ্ট্রের আর্থিক অবস্থার উন্নতি ঘটে। তাতে রাষ্ট্রের পক্ষে জনকল্যাণকর কাজ করা সম্ভব হয়।
সারসংক্ষেপ
আকবর রাজা টোডরমলের নেতৃত্বে রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করেন। তিনি তাঁর সাম্রাজ্যের সমগ্র এলাকায় ভূমি-জরিপ, চাষের ধরন অনুযায়ী জমির শ্রেণী বিন্যাস, জমির উর্বরতা অনুযায়ী রাজস্ব নির্ধারণ, রাজস্ব আদায়ের জন্য আমিন, বিতিকচি,
কানুনগো প্রমুখ কর্মচারী নিয়োগ এবং রাজস্ব আদায় ও সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা পরিচালনার জন্য সাম্রাজ্যকে সুবা, সরকার, পরগণা ইত্যাদিতে বিভক্ত করে এক সুষ্ঠু রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন। এতে একদিকে যেমন কৃষকগণ লাভবান হয় অন্যদিকে রাষ্ট্রও সমৃদ্ধশালী হয়।
সহায়ক গ্ৰন্থপঞ্জী :
১. Ishwari Prasad, A Short History of Muslim Rule in India, Allahabad, 1970.
২. আবদুল করিম, ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম শাসন, ঢাকা, ১৯৮৮।
৩. এ.কে.এম. আবদুল আলীম, ভারতে মুসলিম রাজত্বের ইতিহাস, ঢাকা, ১৯৭৩ ।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন :
১। টোডরমলের রাজস্ব সংস্কার-পূর্ব আকবরের ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার বিবরণ দিন।
২। টোডরমলের রাজস্বনীতির উল্লেখপূর্বক জরিপের মাধ্যমে জমির শ্রেণীবিন্যাসকরণ বর্ণনা করুন।
৩। টোডরমল কর্তৃক নির্ধারিত রাজস্ব আদায়ের নীতিসমূহের বিবরণ দিন।
৪। আকবরের আমলে রাজস্ব সংগ্রহকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিবরণ দিন।
৫। আকবরের রাজস্বনীতির ফলাফল বর্ণনা করুন।
রচনামূলক প্রশ্ন :
১। আকবরের রাজস্বনীতি বর্ণনা করুন ।
২। আকবরের রাজস্ব সংস্কারে রাজা টোডরমলের ভূমিকা পর্যালোচনা করুন।
৩। আকবরের রাজস্ব সংস্কারের ফলাফলের বিশেষ উল্লেখপূর্বক তাঁর রাজস্বনীতির বর্ণনা দিন।
