কৃষকের স্বার্থ ও কৃষির আধুনিকায়ন

আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –কৃষকের স্বার্থ ও কৃষির আধুনিকায়ন। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।

কৃষকের স্বার্থ ও কৃষির আধুনিকায়ন

 

কৃষকের স্বার্থ ও কৃষির আধুনিকায়ন

 

ক) আওয়ামী লীগ বিগত পাঁচ বছরের শাসনামলে খাদ্যে স্বয়ম্ভরতাসহ অর্জিত সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে এবং জনগণের খাদ্য-নিরাপত্তা নিশ্চিত করাতে সার, বীজ, কীটনাশক, সেচের যন্ত্রপাতি ও অন্যান্য কৃষি উপকরণে আওয়ামী লীগের শাসনামলে প্রদত্ত ভর্তুকি, শুল্ক রেয়াত ও পর্যাপ্ত কৃষি ঋণের সুবিধাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা অব্যাহত থাকবে।

সেচ সুবিধার সম্প্রসারণ, ফসল বহুমুখীকরণ, উচ্চ ফলনশীল বীজ উদ্ভাবন, কৃষি গবেষণা ও কৃষি শিক্ষার সম্প্রসারণ এবং কৃষিতে যুগোপযোগী টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে। বিশ্ব-অর্থনীতির সঙ্গে সংশ্লেষণ এবং কৃষিতে বিশ্বায়নের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় উপযুক্ত কর্মকৌশল গ্রহণ করা হবে।

কৃষকের জন্য কৃষিপণ্যের লাভজনক মূল্যের নিশ্চয়তা বিধান এবং তা স্থিতিশীল রাখার গৃহীত নীতিমালা ও কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হবে। কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং ফসল-বিমা প্রকল্প চালুর ব্যবস্থা নেয়া হবে ।

 

খ) কৃষিতে জৈবপ্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে যে বিপ্লব সাধিত হয়েছে, কৃষিতে তার যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উপযুক্ত নীতিমালা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করা হবে।

গ) জমির সর্বোচ্চ উৎপাদনশীল ব্যবহার এবং এ-ক্ষেত্রে সামাজিক ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রণীত জাতীয় ‘ভূমিনীতির’ আলোকে ভূমি সংস্কার ও ভূমি ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা। হবে। জমির রেকর্ড সংরক্ষণে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার উপজেলা পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হবে।

ঘ) ভূমিহীনদের মধ্যে খাস জমি বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

ঙ) মাছ, দুধ, ডিম ও গবাদি পশুর ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও রপ্তানি করার লক্ষ্যে মৎস্য চাষ, হাঁস-মুরগি ও গবাদি পশুর পালন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হবে। 

 

কৃষকের স্বার্থ ও কৃষির আধুনিকায়ন

 

চ) প্রকৃত মৎস্যজীবীদের সরকারি জলমহাল বন্দোবস্ত, সহজ শর্তে পর্যাপ্ত ঋণ প্রদান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Leave a Comment