বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ

আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ

 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ

 

ক) ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের বিঘোষিত ১০ (দশ) বছরের মধ্যে সমগ্র দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহের অঙ্গীকার ইতিমধ্যে অনেকাংশে পূরণ করা হয়েছে। আগামী ৫ (পাঁচ) বছরের মধ্যে দেশের অবশিষ্ট প্রতিটি গ্রামে বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে এই অঙ্গীকার সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়িত করা হবে।

জনগণের ক্রমবর্ধমান চাহিদার প্রতি লক্ষ্য রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও দেশব্যাপী বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইনের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। জনগণের দুর্ভোগ নিরসনে লোডশেডিং দূর করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থায় দুর্নীতি প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

খ) দেশের প্রাকৃতিক গ্যাস উত্তোলন, এর যুক্তিসঙ্গত ব্যবহার এবং সামগ্রিক জ্বালানি খাত সম্পর্কে জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রেখে দীর্ঘমেয়াদি নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে। আগামী ৫০ (পঞ্চাশ) বছরের জন্য দেশের চাহিদানুসারে গ্যাসের মজুদ নিশ্চিত করে উদ্বৃত্ত গ্যাস রফতানির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

গ্যাসজাত উৎপাদিত পণ্য রফতানিকে গুরুত্ব দেয়া হবে। প্রাপ্ত কয়লার বাণিজ্যিক উত্তোলন, কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ এবং নতুন কয়লা ও তেল-গ্যাস ক্ষেত্রের আবিষ্কারে আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়িত করা হবে।

গ) দেশের অনাবিষ্কৃত ও অনাহৃত প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ আহরণ এবং জনগণের কল্যাণে তার ব্যবহারের পরিকল্পিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। 

ঘ) বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর দিয়ে দেশের উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সকল এলাকায় গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

 

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ

 

ঙ) দেশে সৌরশক্তির ব্যাপক ব্যবহারের বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার পূর্ণ ব্যবহারে বিশেষ। গুরুত্ব দেয়া হবে। মানব কল্যাণে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহারে প্রচেষ্টা গ্রহণ করা হবে। জ্বালানি খাতের সার্বিক উন্নয়নে বৈদেশিক বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি আমদানি উৎসাহিত করা হবে।

Leave a Comment