আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –রাজনৈতিক চারটি স্তম্ভ। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
রাজনৈতিক চারটি স্তম্ভ
![রাজনৈতিক চারটি স্তম্ভ [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 2 রাজনৈতিক চারটি স্তম্ভ](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2015/01/বাকশাল-গঠনে-1.jpg)
সহকর্মী ভাইয়েরা, আমাদের রাষ্ট্রের চারটি আদর্শ আছে। রাজনৈতিক-প্রতিষ্ঠানগুলিরও তেমনি চারটি স্তম্ভ থাকা প্রয়োজন। এই চারটি স্তম্ভ ছাড়া কোন রাজনৈতিক- প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। আমি গর্বিত যে, পঁচিশ বছরে আওয়ামী লীগ সেই স্তম্ভগুলি প্রতিষ্ঠিত করেছে। পঁচিশ বছরের আওয়ামী লীগ কর্মীদের জন্য আমি গর্বিত। বার বার জনগণের সাহায্য ও সমর্থনের জন্য।
আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। রাজনৈতিক-প্রতিষ্ঠানের প্রথম প্রয়োজন সঠিক নেতৃত্বের। সঠিক নেতৃত্ব ছাড়া রাজনৈতিক-প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব দিয়েছে। নেতারা চেষ্টা করেছেন। সঠিক নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য। নেতৃত্বের সঙ্গে প্রয়োজন আদর্শের। যাকে অপর কথায় বলা যায় ম্যানিফেষ্টো।
প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য কি, আদর্শ কি এটা থাকতেই হবে। নেতৃত্ব ও আদর্শের পরে প্রয়োজন নিঃস্বার্থ কর্মীর। নিঃস্বার্থ-কর্মী ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠান বড় হতে পারে না, কোন সংগ্রাম সাফল্যমণ্ডিত হতে পারে না। এর পরে প্রয়োজন সংগঠনের। সংগঠন ছাড়াও কোন রাজনৈতিক-প্রতিষ্ঠানের কাজ সফল হতে পারে না।
সেই জন্য বলছিলাম রাজনৈতিক-প্রতিষ্ঠানের চারটি জিনিসের প্রয়োজন এবং তা হচ্ছে নেতৃত্ব, ম্যানিফেষ্টো বা আদর্শ নিঃস্বার্থ-কর্মী এবং সংগঠন। আমি আনন্দের সঙ্গে বলতে পারি যে, আওয়ামী লীগের ১৯৪৯ সাল থেকে আজ পর্যন্ত নেতৃত্ব ছিল, আদর্শ ছিল, নিঃস্বার্থ-কর্মী ছিল এবং সংগঠন ছিল। এই ভিত্তির উপরই সংগ্রামে এগিয়ে গিয়ে আওয়ামী লীগ ইতিহাস সৃষ্টি করতে পেরেছে।
![রাজনৈতিক চারটি স্তম্ভ [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 3 রাজনৈতিক চারটি স্তম্ভ](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2023/03/অসাংবিধানিক-ধারা-প্রতিক্রিয়ার-যুগ-6.jpg)
![রাজনৈতিক চারটি স্তম্ভ [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 1 আওয়ামী লীগের সূচনা](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2007/01/আওয়ামী-লীগ.jpg)