পানি সম্পদ সুষ্ঠু সমন্বিত ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ

আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় – পানি সম্পদ সুষ্ঠু সমন্বিত ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।

পানি সম্পদ সুষ্ঠু সমন্বিত ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ

 

পানি সম্পদ সুষ্ঠু সমন্বিত ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ

 

  • বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন সংক্রান্ত ত্রিশ বছর মেয়াদি ঐতিহাসিক চুক্তি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্পাদিত হয়। এই চুক্তি পানিসম্পদ উন্নয়নে বিরাজমান বাধা অপসারণের ক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল মাইলফলক।
  • উল্লিখিত চুক্তি অনুযায়ী ১৯৯৭ সালের জানুয়ারি থেকে সারা বছর দুটি দেশের মধ্যে গঙ্গার বণ্টন কার্যক্রম শুরু হয়।
  • পানি বণ্টন চুক্তির আওতায় ১৯৯৮ সালের শুষ্ক মৌসুমে বাংলাদেশ পানির ন্যায্য হিস্যা লাভ করে১৯৯৯ সালের শুষ্ক মৌসুমের প্রথমভাগে বাংলাদেশ চুক্তি অনুযায়ী হিস্যার বেশি পানি লাভ করে।ফলে দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ততা এখন নিয়ন্ত্রণে এবং উত্তরাঞ্চলের মরুময়তা এখন বন্ধ।
  • উল্লিখিত চুক্তির সুফল হিসেবে দীর্ঘ চার বছর বন্ধ থাকার পর জি.কে. প্রকল্প চালু করা সম্ভব ।এর ফলে শুষ্ক মৌসুমে ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান করা হয়।
  • তিস্তা ও অন্যান্য নদীর পানি বণ্টন সংক্রান্ত আলোচনা শুরু করা হয়।
  • গঙ্গা বাঁধ নির্মাণে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। ভারত ও নেপাল বাঁধ নির্মাণে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেয়। ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক, বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ জাপান, ইতালি, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডস আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দানের আশ্বাস দেয়।
  • ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে গড়াই নদীর পুনর্খনন প্রকল্পের কাজ নেওয়া হয়।
  • ঢাকা শহরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের সমস্যা দূর করার জন্য সায়েদাবাদ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লানটি খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, যা বিগত সরকারের আমলে বন্ধ ছিল।
  • দেশব্যাপী নদী ও খাল খনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নদী ভাঙন থেকে জনপদ ইত্যাদি রক্ষার জন্য ৮২টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয় ।

 

  • জি.কে. পাম্প ও ফিডার চ্যানেল প্রতিরক্ষা বাস্তবায়নের কাজ শেষ হয়।
  • মেঘনা মোহনা সমীক্ষার ফ্যাপ ৫-বি প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়িত হয়।
  • ভোলা সেচ প্রকল্পের কাজ শেষ করা হয়।
  • কপোতাক্ষ নদ পুনর্খননের সম্ভাব্য সমীক্ষার কাজ সম্পন্ন করা হয়।
  • এছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলোর মধ্যে ছিল-উপকূলীয় অঞ্চলের বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি নিষ্কাশনের জন্য উপকূলীয় বাঁধ পুনর্বাসন প্রকল্প।
  • বড়াল বেসিন উন্নয়ন প্রকল্প।
  • খরাউত্তর কৃষি পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় বৃহত্তর দিনাজপুর জেলায় গভীর নলকূপ মেরামত ও পুনর্বাসন প্রকল্প।
  • চাঁদপুর শহর সংরক্ষণ প্রকল্প ।
  • নোয়াখালী খালের পুনর্খনন প্রকল্প ।
  • কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলায় নতুন ডাকাতিয়া নদীর পুনর্খনন ও পাম্প হাউজ নির্মাণ কাজের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা।

 

পানি সম্পদ সুষ্ঠু সমন্বিত ও সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণ

 

  • ১৯৯৯ সালে দেশের ৩৩টি জেলার নদীতীর সংরক্ষণসহ শহর ও বন্দর রক্ষার কাজ শুরু ।
  • ঢাকা মহানগরী বন্যা প্রতিরোধ প্রকল্প ।

Leave a Comment