বীর শ্রেষ্ঠ

আজকে আমদের আলোচনার বিষয় বীর শ্রেষ্ঠ

বীর শ্রেষ্ঠ

 

বীর শ্রেষ্ঠ

 

বীর শ্রেষ্ঠ

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির ওপর গণহত্যা চালায়। সূচনা হয় মুক্তিযুদ্ধের । বাঙালি জাতি হানাদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় এবং দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে। দেশের স্বাধীনতার জন্য ত্রিশ লক্ষ বাঙালিকে আত্মাহুতি দিতে হয়। শহীদ হন বহু নিরীহ বাঙালি ও সাহসী যোদ্ধা। যাঁরা যুদ্ধ করেছেন সকলেই যুদ্ধে অসামান্য অবদান রেখেছেন।

তবে ১৯৭৩ সালে সরকার মুক্তিযুদ্ধে অনন্য ত্যাগ, অবদান ও বীরত্বপূর্ণ সাহসিকতার জন্য ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বিভিন্ন খেতাবে ভূষিত করে। পরবর্তীকালে আরো মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব দেয়া হয়। এর মধ্যে সর্বোচ্চ খেতাব হচ্ছে ‘বীর শ্রেষ্ঠ ।

খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা

মুক্তিযোদ্ধাদের ৪ ধরনের খেতাব দেয়া হয়। যেমন- বীর শ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম এবং বীর প্রতীক। এর মধ্যে ৭ জন বীর শ্রেষ্ঠ, ৬৮ জন বীর উত্তম, ১৭৫ জন বীর বিক্রম এবং ৪২৬ জন বীর প্রতীক খেতাব পান। এর মধ্যে ২৮৬ জন আবার সেনাবাহিনী, ২১ জন নৌবাহিনী, ২১ জন বিমান বাহিনী, ১৪১ জন বিডিআর, ৫ জন পুলিশ এবং ২০২ জন ছাত্র, জনতা ও অন্যান্য পেশার গণবাহিনীর সদস্য।

এ যাবত যে ৭ জন বীর শ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত হন তাঁরা হলেন-ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ, ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ, ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, ইঞ্জিন রুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন, সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান এবং সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমান।

বীর শ্রেষ্ঠদের কর্মজীবন

নূর মোহাম্মদ শেখ:

নূর মোহাম্মদ শেখ নড়াইল জেলার মহেশখালী গ্রামের মোহাম্মদ আমানত শেখের একমাত্র পুত্র। তাঁর জন্ম ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি। তিনি স্কুল পর্যায়ে পড়াশোনা করেন এবং ১৯৫৮ সালে ২৩ বছর বয়সে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস (ইপিআর)-এ যোগ দেন। বর্তমানে এই বাহিনীর নাম বাংলাদেশ রাইফেলস (বিডিআর)।

দিনাজপুরে তাঁর প্রথম পোস্টিং হয় এবং ১৯৭০ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত এখানে কর্মরত ছিলেন। পরে বদলি হন যশোর। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে ছিলেন।

মুন্সী আবদুর রউফ:

ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার সালামতপুর গ্রামে ১৯৪৩ সালের মে মাসে আবদুর রউফ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মুন্সী মেহেদী। অষ্টম শ্রেণীতে পড়াশোনা করার সময় ১৯৬৩ সালে ইপিআর-এ যোগ দেন। ঢাকার পিলখানায় প্রশিক্ষণ শেষে মেশিনগান বিভাগে যোগ দেন ।

মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:

মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জের আবদুল মোতালেব হাওলাদারের ছেলে। আই.এস.সি. পাশের পর ১৯৬৭ সালে সেনাবাহিনীতে অফিসার হিসেবে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানে কর্মরত ছিলেন।

মোহাম্মদ রুহুল আমিন:

নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়িতে ১৯৩৫ সালে তাঁর জন্ম। পিতার নাম আজহার পাটোয়ারী। ১৯৫৩ সালে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নৌবাহিনীতে যোগ দেন। ১৯৬৮ সাল থেকে চট্টগ্রামে নৌ-ঘাঁটিতে কর্মরত ছিলেন।

মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:

১৯৪৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর বরিশাল জেলার (বর্তমান ভোলা) দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীগঞ্জ গ্রামে জন্ম। তাঁর বাবা হাবিবুর রহমান ছিলেন সৈনিক। সৈনিক জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসে কাটান। সৈনিক জীবনের শৃংখলা ও সুন্দর পরিবেশ মোস্তফা কামালকে সেনাবাহিনীতে যোগদানে আকর্ষণ করে। ১৯৬৭ সালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ভর্তি হন। কুমিল্লা সেনানিবাসে পোস্টিং হয় এবং মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি সেখানেই ছিলেন।

মতিউর রহমান:

নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগরে ১৯৪২ সালের নভেম্বর মাসে জন্ম হয়। তাঁর পিতার নাম আবদুস সামাদ। ১৯৬১ সালে বিমান বাহিনীতে যোগ দেন এবং ১৯৬৩ সালে পাকিস্তানে পোস্টিং হয়। ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে ছুটিতে এসে মার্চের প্রথম দিকে পশ্চিম পাকিস্তানে চাকরিস্থলে ফিরে যান।

হামিদুর রহমান:

যশোর জেলার খোরদা খালিশপুরে ১৯৫৩ সালে হামিদুর রহমানের জন্ম। তাঁর বাবা আক্কাস আলী মন্ডল। ১৯৭১ সালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেন। মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি চট্টগ্রামে ট্রেনিংরত ছিলেন।

বীর শ্রেষ্ঠদের মুক্তিযুদ্ধে অবদান

বীর শ্রেষ্ঠদের সকলেই ছিলেন অকুতোভয় যোদ্ধা। তাঁরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে দেশমাতৃকার মুক্তি এনেছিলেন।

 

নূর মোহাম্মদ শেখ:

২৫ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনী বাঙালির ওপর নৃশংস গণহত্যা শুরু হলে নূর মোহাম্মদ বিদ্রোহী হয়ে ওঠেন। শুরু থেকেই মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। ৮ নম্বর সেক্টরের অধীন যশোরে যুদ্ধে যোগ দেন। নূর মোহাম্মদকে অধিনায়ক করে গোয়ালহাটি গ্রামে স্থায়ী টহল ক্যাম্প খোলা হয়। তাঁর সঙ্গে নিয়োজিত ছিলেন আরো দু’জন সৈনিক। এ দল ৫ সেপ্টেম্বর টহলরত অবস্থায় পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণের শিকার হন।

হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত অবস্থায় শত্রুর গুলিতে গুরুতর আহত হয়েও নূর মোহাম্মদ যুদ্ধ চালিয়ে যান। কিন্তু শত্রুর বেয়নেট চার্জে তিনি শেষপর্যন্ত নিহত হন। এই বীর যোদ্ধার চোখ দু’টি পর্যন্ত পাক সেনারা উপড়ে ফেলে। নূর মোহাম্মদ তাঁর নিজের জীবন বিসর্জন দিয়ে তাঁর দু’জন সহযোদ্ধাদের প্রাণ বাঁচান এবং সহযোদ্ধাদের নিরাপদে চলে যেতে সাহায্য করেন।

মুন্সী আবদুর রউফ:

মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকরিরত রউফ সরাসরি যুদ্ধে যোগ দেন। অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের রাঙ্গামাটি মহালছড়ি ঘাঁটি রক্ষার দায়িত্বে তিনি নিয়োজিত ছিলেন। ৮ এপ্রিল বুড়িঘাট এলাকায় প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকাকালে শত্রু বাহিনীর সংগে যুদ্ধ হয়। শত্রু সেনাদের ঝাঁকে ঝাঁকে ছুটে আসা মেশিনগানের গুলির সামনে তিনি শেষপর্যন্ত একাই লড়ে যান।

তাঁর বাহিনীর সেই অভিযানে শত্রুদের ৭টি স্পীড বোট ডুবে যায় ও আরোহী পাক সেনারা আহত হয়। কিন্তু পরে দু’টি লঞ্চে করে আসা পাক সেনাদের গুলির সামনে রউফ টিকতে পারেন নি। কিন্তু মৃত্যুর আগে পর্যন্ত লড়াই করেন ।

মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:

ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর পাকিস্তানে কর্মরত অবস্থায় দেশমাতৃকার টানে পালিয়ে এসে জুন মাসে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। সাব-সেক্টর কমান্ডার হিসেবে ৭ নম্বর সেক্টরে মেহেদিপুরে যোগ দেন। বেশ কয়েকটি যুদ্ধে তিনি সাফল্যজনকভাবে নেতৃত্ব দেন। ডিসেম্বরের ১০ তারিখে ৫০ জন যোদ্ধা নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বারঘনিয়ায় অবস্থান নেন।

একটানা যুদ্ধ করে ১৪ ডিসেম্বর শত্রুর সঙ্গে সম্মুখ ও হাতাহাতি যুদ্ধ হয়। তাঁর নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শত্রুমুক্ত হয়। কিন্তু এই মুক্তির বিনিময়ে বীর যোদ্ধা জাহাঙ্গীর শহীদ হন। তাঁর মরদেহ ঐতিহাসিক সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।

মোহাম্মদ রুহুল আমিন:

চট্টগ্রামে কর্মরত অবস্থায় এপ্রিলে পালিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। ২ নম্বর সেক্টরে যোগ দেন এবং সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত বিভিন্ন যুদ্ধে অসামান্য সাফল্য দেখান। সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠিত হলে তিনি পলাশ জাহাজের ইঞ্চিন রুম আর্টিফিসার হিসাবে যোগ দেন। ৬ ডিসেম্বর থেকে বেশ কয়েকটি নৌ-যুদ্ধে তিনি অংশ নেন।

১০ ডিসেম্বর চূড়ান্ত যুদ্ধে খুলনায় পাকিস্তানি বাহিনী রুহুল আমিনের জাহাজ পলাশ আক্রমণ করে। অধিনায়কের যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগের নির্দেশ অমান্য করে তিনি যুদ্ধ চালিয়ে যান এবং শহীদ হন। জাহাজ ত্যাগ করে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে জীবন বাঁচানোর সুযোগ থাকা সত্ত্বেও রুহুল আমিন বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করে জীবন উৎসর্গকেই বেছে নেন।

মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:

মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে মোস্তফা কামাল যোগ দেন। ১৪ এপ্রিল পাকবাহিনী হেলিকপ্টার, গানশীপ ও নেভাল গানবোট দিয়ে আশুগঞ্জের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিরক্ষা ঘাঁটি আক্রমণ করলে ন’ঘন্টাব্যাপী যুদ্ধে তিনি অসামান্য অবদান রাখেন। এ যুদ্ধের পর তাঁকে সেকশন কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। ১৬ এপ্রিল পুনরায় শত্রু বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি অসামান্য অবদান রাখেন।

পাকিস্তানি হানাদারদের ভারি অস্ত্রের মোকাবেলায় তিনি আত্মনিয়োগ করেন। কিন্তু সম্মুখ যুদ্ধে শত্রু বাহিনীর গোলায় তিনি শহীদ হন।

মতিউর রহমান:

মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল দিনগুলোতে পাকিস্তানে থাকাকালে তিনি যুদ্ধে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বৈমানিক মতিউর জুলাই মাসে পিআইএ-এর একটি বোয়িং বিমানসহ দেশে আসার পথে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ২০ আগস্ট সিন্ধু প্রদেশের মরু অঞ্চলে শহীদ হন।

স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রবল আকাংখা সত্ত্বেও শেষপর্যন্ত তা পূরণ না হলেও তাঁর বিমান দখলের চাঞ্চল্যকর ঘটনা পাকিস্তান বিমান বাহিনীর মনোবল ভেঙ্গে দেয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ এই ভূমিকার কথা বিবেচনা করেই তাঁকে বীর শ্রেষ্ঠ খেতাব দেয়া হয়।

হামিদুর রহমান:

১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার মাত্র এক মাস পর যুদ্ধ শুরু হলে তরুণ হামিদুর শ্রীমঙ্গলে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। ২৭ অক্টোবর শ্রীমঙ্গলের কাছে সীমান্ত চৌকির কাছাকাছি কর্মরত ছিলেন। ধলাই সীমান্ত চৌকি তখন পাকিস্তানি সৈন্যরা ঘিরে রেখেছিল।

হামিদুর রহমান হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন শত্রুর ঘাঁটির দিকে। একটি হালকা মেশিনগান নিয়ে এগিয়ে যান এবং কয়েকজন পাক সেনাকে ঘায়েল করেন। কিন্তু শত্রুর একটি গুলিতে ২৮ অক্টোবর তিনি শহীদ হন।

সারসংক্ষেপ

৭ জন বীর শ্রেষ্ঠ মুক্তিযুদ্ধে নিজেদের জীবন উৎর্গ করে দেশ স্বাধীন করেন। সকলেই সম্মুখ যুদ্ধে জীবনের শেষ সময়ে লড়াই করেছেন কিন্তু পিছনে হটে যান নি। মতিউর রহমান জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশের বিমান গড়ার স্বপ্ন নিয়ে বিমান হাইজ্যাক করে দেশে আসার চেষ্টা করেছেন। সফল না হলেও তাঁর আত্মত্যাগ সফল হয়েছে।

আমরা শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়েছি। বীরশ্রেষ্ঠরা মুক্তিযুদ্ধের শ্রেষ্ঠ সন্তান। বীরশ্রেষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধাদের কোন মৃত্যু নেই। বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে তাঁদের নাম লেখা থাকবে।

সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি

১। জাহানারা ইমাম, বীরশ্রেষ্ঠ, ঢাকা, গণ প্রকাশনী ।

২। আমীরুল ইসলাম ও অন্যান্য সম্পাদিত, শত মুক্তিযোদ্ধার কথা, ঢাকা, অনুপম প্রকাশনী।

 

বীর শ্রেষ্ঠ

 

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নঃ

১। স্বাধীনতার পর মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদান রাখার জন্য যেসব উপাধি দেয়া হয় তার পরিচয় দিন।

২। বীরশ্রেষ্ঠদের যেকোন ৪ জনের কর্মময় জীবন লিখুন।

৩। বীরশ্রেষ্ঠদের যে কোন ৩ জনের মুক্তিযুদ্ধে অবদান আলোচনা করুন।

রচনামূলক প্রশ্ন:

১। বীরশ্রেষ্ঠদের কর্মজীবন ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানসহ বিস্তারিত জীবনী লিখুন ।

Leave a Comment