আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –ভূমি ব্যবস্থা। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
ভূমি ব্যবস্থা
![ভূমি ব্যবস্থা [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 2 ভূমি ব্যবস্থা](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2023/04/আওয়ামী-মুসলিম-লীগের-ইসলামী-রাষ্ট্রের-রূপ-2.jpg)
বাস্তবিক পক্ষে বিগত ৮ বৎসরের মুসলিম লীগ শাসন জনসাধারণের আর্থিক জীবনে যে ভয়াবহ বিপর্যয় এনেছিল আজ পৰ্য্যন্ত সেই দুর্গতি, সেই নিপীড়ণ অব্যাহত আছে। মুসলিম লীগ শাসনের জগদ্দল পাথরকে অপসারিত করে দেশবাসী আর্থিক উন্নয়নের যে স্বপ্ন রচনা করেছিল তাহা আজও সফল হয়নি।সামন্তবাদী ভূমি ব্যবস্থাই পূর্ববঙ্গের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিকাশের মূল প্রতিবন্ধক।
বিনা খেসারত | খেসারতে| জমিদারী প্রথার উচ্ছেদ সাধন ও কৃষককে জমির মালিকানা সত্ব দান করাই সামন্তবাদী শোষণ অবসানের প্রথম পদক্ষেপ। কিন্তু জনগণের দীর্ঘ দিনের আন্দোলনকে বানচালের জন্য এই ক্ষয়িষ্ণু জমিদারী প্রথাকে নতুন ধাঁচে ঢালাই করার উদ্দেশ্যে মুসলিম লীগ সরকার পূর্ববঙ্গ ভূমি দখল ও প্রজাসত্ত্ব আইনের জন্ম দেয়।
ইহার ফলে কৃষক জমির মালিক হওয়ার পরিবর্তে সরকার জমির মালিক সেজেছেন এবং জমিদারের বদলে সরকার হয়েছে খাজনা আদায়কারী কর্তৃপক্ষ। সার্টিফিকেট প্রথার দ্বারা সরকার সূর্য্যাপ্ত আইনের ন্যায় গরীব কৃষকদের বকেয়া খাজনা জোর জবরদস্তি করে আদায় করার নীতি গ্রহণ করেছে। ফলে বহু কৃষকের ঘর বাড়ী জোত জমি নিলামে উঠেছে।
আর সেই অর্থে জমিদার পরগাছাদের মোটা অঙ্কের খেসারত দিবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু আমরা জানি যে বিনা খেসারতে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত না করলে কৃষকের কোনই উন্নতি হবে না ।
![ভূমি ব্যবস্থা [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 3 ভূমি ব্যবস্থা](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2015/01/আওয়ামী-মুসলিম-লীগের-খসড়া-ম্যানিফেষ্টো-2-1.jpg)
![ভূমি ব্যবস্থা [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 1 ভূমি ব্যবস্থা](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2023/05/ভূমি-ব্যবস্থা-1.png)