সবার জন্য স্বাস্থ্য : নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম

আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় – সবার জন্য স্বাস্থ্য : নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।

সবার জন্য স্বাস্থ্য : নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম

 

সবার জন্য স্বাস্থ্য : নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম

 

  • সবার জন্য স্বাস্থ্য- এই কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে জনগণের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার পদক্ষেপের বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সরকার গ্রহণ করে নতুন জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি।
  • ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে প্রত্যাশিত গড় আয়ু ছিল ৫৮.৭ বছর। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ বছরে গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়ে ৬২ বছরে উন্নীত হয়।
  • উন্নত চিকিৎসার আশায় মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে রোগীদের বিদেশ গমনের রোধকল্পে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা দেশেই সহজলভা করার ব্যবস্থা নেয়া হয়। প্রবণতা
  • বিএনপি সরকারের আমলে ৯৫/৯৬ অর্থবছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ খাতে বাজেটে মোট বরাদ্দ ছিল ১,৬১১ কোটি টাকা। আওয়ামী লীগ সরকারের ২০০১/২০০২ অর্থবছরে এক্ষেত্রে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ২৮৭৩.৪ কোটি টাকা।
  • দরিদ্র জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার প্রতি ৬ হাজার নাগরিকের জন্য একটি করে সারাদেশে ১৮,০০০ কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ২০০১ সালের জুনের মধ্যে ১০ হাজার ক্লিনিকের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
  • ১০৮টি ইউনিয়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং ১১টি মাতৃমঙ্গল ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের নির্মাণ কাজ চলছিল।

 

  • আওয়ামী লীগ সরকার তার শাসনামলে ৪০০০ নার্সকে নতুন নিয়োগ দেয়।
  • ২০০০/২০০১ অর্থবছরে ২ হাজার নতুন ডাক্তার নিয়োগ করা হয় এবং ১১৮২ জন ডাক্তার নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল। ৫৫০৫ জন চিকিৎসকের চাকরি স্থায়ী করা হয়।
  • বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় জাতীয় পুষ্টি কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা হয়।
  • প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় পুষ্টি পরিষদ গঠিত হয়। দেশবাসীর দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সেই আকাঙ্ক্ষারই প্রতিফলন।
  • ৫ বছরে ৭০০০টি হাসপাতাল-শয্যা বাড়ানো হয়।

 

সবার জন্য স্বাস্থ্য : নির্বাচনী ওয়াদা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কার্যক্রম

 

  • ৬৪৩ কোটি টাকা ব্যয়ে জাতীয় পুষ্টি প্রকল্প গৃহীত হয়। শিশু ও গর্ভবতী মায়েদের মধ্যে বিদ্যমান অপুষ্টি কমিয়ে আনাই ছিল এই কর্মসূচির লক্ষ্য।
  • ৩৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে এইডস রোগের বিস্তার রোধ করার জন্য একটি প্রকল্প গৃহীত হয়েছিল।
  • কিডনি রোগ নিরাময়ে একটি প্রতিষ্ঠান খোলা হয়।
  •  হাসপাতালগুলোতে রোগীর দৈনিক বরাদ্দ বাড়িয়ে ২২ টাকার জায়গায় ৩০ টাকা করা হয়।
  • ২০০৫ সাল নাগাদ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার গ্রহণযোগ্য লক্ষ্যমাত্রায় সীমিত করার পরিকল্পনা কার্যকর করা হয়।
  • পরিবার পরিকল্পনা প্রকল্পে কর্মরত 88,000 জন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তর করা হয়।

Leave a Comment