আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –আইয়ুবের সামরিক শাসন। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
আইয়ুবের সামরিক শাসন
![আইয়ুবের সামরিক শাসন [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 2 আইয়ুবের সামরিক শাসন](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2015/01/পাকিস্তানের-ষড়যন্ত্রে-1.jpg)
১৯৫৪ সালের পর অনেক ইতিহাস। আমরা ধাপে ধাপে এগিয়ে যাই। ১৯৫৫ সালে আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। তারপর পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন শুরু হয়। বাংলাদেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম চলে । কিন্তু শোষকগোষ্ঠী দেখল যে, এভাবে চলতে দেওয়া যায় না। তাই ১৯৫৮ সালে সামরিক আইন জারী করে আইয়ুব খান ক্ষমতা দখল করেন।
বাংলাদেশ আরও বিপদের মধ্যে গিয়ে পড়ে, কারণ সামরিক বাহিনীর শতকরা ৯৫ জন ছিল তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের। তারা বাংলাদেশেরও সরকার দখল করল। মার্শাল ল’ জারী করার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে শোষণ করা। আমরা গ্রেফতার হলাম। সহকর্মীরা গ্রেফতার হল। আওয়ামী লীগ পার্টি ব্যান্ড হল। আওয়ামী লীগ কর্মীরা গ্রেফতার হল। তাদের বিরুদ্ধে বহু মিথ্যা মামলা জারী করা হল। কিন্তু তারা চুপ করে বসে রইল না। ব্যান্ড হয়ে গেলেও আওয়ামী লীগের কাজ চলল ।
আমরা সংখ্যাগুরু। তারা সংখ্যালঘু হওয়া সত্ত্বেও বন্দুকের জোরে বাংলার মানুষের উপর মিলিটারী শাসন আরম্ভ করল। দু’শ’ বছরে ইংরেজ যা করে নাই, পঁচিশ বছরে পাকিস্তানীরা বাংলার মাটিতে তাই করল। সম্পদ অর্থ যা কিছু সেখানে জড়ো করল। সেখানে রাজধানী, সেখানে সামরিক বাহিনীর হেডকোয়ার্টার, ইনভেষ্টমেন্টের হেডকোয়ার্টার, এসেম্বলী সব কিছু প্রতিষ্ঠিত হল ।
আমরা ধর্মভীরু মানুষ তাই পাকিস্তানীরা ধর্মের নামে এক রাষ্ট্রের দোহাই দিতে আরম্ভ করল। আমরা যারা ব্যাপারটা বুঝতে চেষ্টা করেছিলাম তারা সংগ্রাম করেছি। যারা বুঝতে চেষ্টা করে নাই তারা তাদের দালালী করেছে।
![আইয়ুবের সামরিক শাসন [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 3 আইয়ুবের সামরিক শাসন](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2015/01/আওয়ামী-লীগের-শাসনামল-1.jpg)
![আইয়ুবের সামরিক শাসন [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 1 আওয়ামী লীগের সূচনা](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2007/01/আওয়ামী-লীগ01.jpg)