আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –মানুষের পাশে দাঁড়াও। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
মানুষের পাশে দাঁড়াও

আমি আগেই বলেছি যে, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন আওয়ামী লীগের সেই চারটি জিনিস-নেতৃত্ব, আদর্শ, সংগঠন ও নিঃস্বার্থ কর্মী রয়েছে। আমরা আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা সংগ্রামে জয়লাভ করেছি। আজ যে নতুন সংগ্রাম শুরু হয়েছে—দেশ গড়ার সংগ্রাম দুঃখী মানুষকে বাঁচাবার সংগ্রাম-এই সংগ্রামেও আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বিশ্বাস করি, যদি আওয়ামী লীগ কর্মীরা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে তাহলে নিশ্চয়ই আমরা কামিয়াব হব।
কেউ আমাদেরকে ঠেকাতে পারবে না। বিশৃঙ্খলাকারীরা কোন ক্ষতি করতে পারবে না। তাই আজকে তোমাদের কাছে আমার আবেদন রইলো-গ্রামে গ্রামে কাজ করো। দুঃখের দিনে মানুষের পাশে দাঁড়াও। তোমরা আমার কথা শুনেছো, এখনো আমার কথা শোন। তোমাদের যা বলি সে ভাবে কাজ করো। আমি যেখানেই থাকি তোমাদের সাথেই থাকবো, তোমাদের পাশেই থাকব। তোমাদের বাদ দিয়ে একদিনও আমি বাঁচতে পারি না। কিন্তু সভাপতি আমি থাকতে পারবো না
আমি আমার পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এবং বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে যাঁরা বিদেশ থেকে এখানে এসেছেন সেই যুগোশ্লাভিয়া, পোল্যান্ড, সোভিয়েট ইউনিয়ন, জাপান, বুলগেরিয়া, পূর্ব জার্মানী, ভারত, রুমানিয়া, ইরাক, মালয়েশিয়া, হাঙ্গেরী ও দক্ষিণ ইয়ামেনের প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ দিচ্ছি। যাঁরা আসতে পারেননি বলে আমাদের জানিয়েছেন এবং যাঁরা এখানে কূটনৈতিক প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রয়েছেন তাঁদের সকলকেও আমি আন্তরিক ধন্যবাদ দিচ্ছি।
আমি আপনাদের অনেক সময় নষ্ট করেছি এইজন্য যে, আজ প্রয়োজন ছিল আওয়ামী লীগের কিছু ইতিহাস বলার, প্রয়োজন ছিল আপনাদের কিছু পথ দেখানোর। শুধু একটা কথা বলে যাই- শেষ কথা আমার, যে কথা আমি বার বার বলেছি- সোনার বাংলা গড়তে হবে। এটা বাংলার জনগণের কাছে আওয়ামী লীগের প্রতিজ্ঞা। আমার আওয়ামী লীগের কর্মীরা, যখন বাংলার মানুষকে বলি তোমরা সোনার মানুষ হও তখন তোমাদেরই প্রথম সোনার মানুষ হতে হবে। তাহলেই সোনার বাংলা গড়তে পারবা। আর যারা দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সংগ্রাম করেছো, তারা বাংলার দুঃখী মানুষের কাছ থেকে সরে যেয়ো না ।জয় বাংলা। জয় আওয়ামী লীগ ।

