আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –যোগাযোগ ও ভৌত অবকাঠামো। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
যোগাযোগ ও ভৌত অবকাঠামো

ক) সকল ইউনিয়নকে কেন্দ্র করে প্রতিটি গ্রাম, হাট-বাজার, স্কুল-কলেজ ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রকে ঘিরে সড়ক যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খ) প্রতিটি ইউনিয়নকে উপজেলার সঙ্গে এবং উপজেলাকে জেলা সদরের সঙ্গে পাকা সড়কের মাধ্যমে সংযুক্ত করার অবশিষ্ট কর্মসূচি সম্পন্ন করা হবে।
গ) প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় ডিজিটাল টেলিফোন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামকে স্যাটেলাইট ও সেলুলার টেলিফোনের আওতায় এনে সমগ্র বিশ্বের সঙ্গে টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হবে।
ঘ) বঙ্গবন্ধু সেতুর মাধ্যমে ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গসহ আন্তর্জাতিক রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার কাজ সম্পন্ন করা হবে। কক্সবাজার পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণসহ সারাদেশে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ ও তার আধুনিকায়ন করা হবে।
ঙ) ভৈরবের কাছে মেঘনা নদীতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতু, পাকশীতে পদ্মা নদীতে এম, মনসুর আলী সেতু, খুলনায় রূপসা সেতু, কুড়িগ্রামে ধরলা সেতু, চট্টগ্রামে দ্বিতীয় কর্ণফুলী সেতু/ টানেল এবং মাওয়ায় পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ সম্পন্ন করা হবে। এ-ছাড়াও প্রস্তাবিত অন্যান্য ছোট-বড় সেতুর নির্মাণে গৃহীত উদ্যোগ বাস্তবায়িত করা হবে।
চ) অভ্যন্তরীণ নৌপথের নাব্যতা বৃদ্ধি, নদী বন্দরসমূহের উন্নয়ন ও নদীপথকে নিরাপদ করার ওপর সবিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে।
ছ) চট্টগ্রাম ও চালনা বন্দরের পণ্য ওঠা-নামার ক্ষমতা বৃদ্ধি ও বন্দর দুটির আধুনিকায়নে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। দ্রুত মাল খালাস এবং আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় সংখ্যক কন্টেইনার বন্দর গড়ে তোলা হবে।

জ) বাণিজ্যিক রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বড় শহরগুলোর যানজট নিরসনে প্রয়োজনমতো ফ্লাইওভার, আন্ডারপাস ও মনোরেল নির্মাণ করা হবে। ঢাকাকে ঘিরে সার্কুলার রেলপথ গড়ে তোলা হবে। ঢাকায় ভূগর্ভস্থ রেলপথ নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই সাপেক্ষ প্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
