আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –পরিবেশ ও পানি সম্পদ। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
পরিবেশ ও পানি সম্পদ

ক) মানুষ, প্রাণিজগৎ ও মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার প্রশ্নটি বর্তমান বিশ্বে তির্যকভাবে সামনে এসেছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সবকিছুর ঊর্ধ্বে মানুষের সুন্দর ও সুস্থ জীবন গড়ে তোলা এবং ক্রমবর্ধমান পরিবেশ বিপর্যয় থেকে আমাদের এই পৃথিবীকে রক্ষা করার জন্য সাধ্যমতো সবকিছুই করবে।
খ) আমাদের দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ, কৃষি ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মৌলিক উপাদান হচ্ছে পানি সম্পদ।দেশের বিদ্যমান পানি সম্পদ রক্ষা, মজে যাওয়া নদী, খাল, বিল, হাওর, বাঁওড়, পুকুর ও অন্যান্য জলাধার ইত্যাদি খনন ও পুনর্খননের মাধ্যমে পানিসম্পদ বৃদ্ধি ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা, পানির লবণাক্ততা রোধ, জলসেচে ভূ-উপরিস্থিত পানির ব্যবহার বৃদ্ধি, ভূ-গর্ভস্থ পানির অপরিমিত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ও তার ব্যবহার উৎসাহিতকরণ, নদীর ভাঙন রোধ ও বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে বিভিন্ন মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।
গ) দেশের বনসম্পদ রক্ষা, নতুন বন সৃজন, বৃক্ষরোপণ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ, ভূমি ক্ষয় রোধ, পানি ও বায়ু দূষণ রোধ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ক্ষতিকর কীটনাশক আমদানি ও তার ব্যবহার কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হবে।
ঘ) পরিবেশ সংরক্ষণে পেট্রোল চালিত গাড়িতে সিএনজি গ্যাসের ব্যবহার চালু করার যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা সম্প্রসারিত করা হবে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সীসামুক্ত জ্বালানি তেলের ব্যবহার শুরু করা হয়েছে; ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ঙ) বন্যা নিয়ন্ত্রণ, শুষ্ক মৌসুমে পানি সংরক্ষণ, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবেশ সংরক্ষণে হিমালয় পর্বতমালার পাদভূমির সংশ্লিষ্ট দেশগুলোসহ আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গড়ে তোলায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
