আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও পররাষ্ট্র নীতি

আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও পররাষ্ট্র নীতি। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও পররাষ্ট্র নীতি

 

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও পররাষ্ট্র নীতি

 

ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল হিসেবে জাতীয় সরকারে পররাষ্ট্র নীতি আমরা খুবই আগ্রহের সাথে প্রত্যক্ষ করেছি। ঘোষণাপত্রে উল্লিখিত দলীয় আদর্শ এবং নীতিমালার প্রতি সম্পূর্ণ অবিচল থেকে আমরা জাতীয় সমস্যা এবং রাজনৈতিক কর্মসূচীর পাশে আন্তর্জাতিক সম্পর্কোন্নয়নে সকল সময় গভীর নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছি। আমাদের মুক্তি সংগ্রাম চলাকালে মহান ভারতবর্ষ ও সোভিয়েত ইউনিয়নসহ বন্ধু রাষ্ট্রসমূহ আমাদের কোটি কোটি মুক্তিকামী সংগ্রামী জনতার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল।

তাঁরা শুধু মৌখিক সমর্থন দিয়েই বিরত থাকেননি— তাঁরা অর্থনৈতিক এবং উপকরণগত সাহায্য দিয়ে আমাদের নবলব্ধ স্বাধীন জাতিকে বিশ্বমানবগোষ্ঠিতে প্রতিষ্ঠিত করার ক্রমাগত চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। এ সকল বন্ধু রাষ্ট্রের সাথে সরকারের সঙ্গে সমন্বয় সাধন করে আমরা প্রতিনিয়ত দলীয় ভিত্তিতে ভাবের আদান প্রদানের মধ্য দিয়ে সম্পর্ক মজবুত ও দৃঢ় করার প্রচেষ্টা চালিয়েছি।

আজ এই কাউন্সিল সভায়ও মহান ভারতবর্ষ, সোভিয়েত ইউনিয়নসহ পৃথিবীর সমস্ত বন্ধু রাষ্ট্রের আন্তরিক সাহায্য কৃতজ্ঞতা ভরে স্মরণ করি। স্মরণ করি আমাদের সেই বন্ধুরাষ্ট্র সমূহকে যাঁরা মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তাঁদের অকৃত্রিম সাহায্য ও সহানুভূতি দিয়ে পৃথিবীর বর্বরতম পশুশক্তির নিষ্ঠুরতম আঘাত প্রতিহত করে এবং সেই পশুশক্তিকে পরাস্ত করে আমাদের কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছেন। স্মরণ করি মিত্রবাহিনীর সেই সকল ভাইকে যারা এ দেশের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিবাহিনীর ভাইদের সাথে বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছেন।

সংগঠনের দায়িত্ব নেওয়ার পর হতে এ সত্য উপলব্ধি করেছিলাম যে, আমাদের বন্ধুরাষ্ট্রসমূহের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীল চক্র তাদের মুরুব্বীদের প্ররোচনায় ক্রমাগত বিদ্বেষ ছড়িয়ে জনমনে ভুল ধারণা সৃষ্টি করার প্রয়াস পাচ্ছে। এ চক্রান্ত হলো আমাদের বিশ্বমানবগোষ্ঠীতে বন্ধুহীন করে সেই সকল চক্রান্তকারীর হীন ষড়যন্ত্রকে বাস্তবায়িত করা। আমরা এ সকল সাম্রাজ্যবাদী ও তথাকথিত উগ্রপ্রগতিবাদীর সারহীন বক্তব্য সম্বন্ধে সতর্ক দৃষ্টি রেখেছি। সকল ক্ষেত্রেই রাজনৈতিকভাবে এদের মোকাবিলা করেছি। জাতীয় স্বাধীনতা এবং প্রগতির এ সকল ঘোরতর শত্রুর মোকাবিলা করার জন্য বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি। সে কথা আমি পরে আলোচনা করবো।

আমরা বন্ধুরাষ্ট্রসমূহের সাথে সম্পর্কোন্নয়নের ক্ষেত্রে দু’রকম পথ গ্রহণ করেছি। প্রথম, বাংলাদেশে অবস্থিত দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতদের সাথে আমাদের দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ স্থাপন। দ্বিতীয়, বন্ধু রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধিদলকে আমন্ত্রণ জানানো এবং দলীয় কার্যালয়ে অভ্যর্থনা জ্ঞাপন এবং আমাদের দল থেকে বিভিন্ন দেশে প্রতিনিধিদল প্রেরণ।

১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিন পর্যন্ত মোট তেরটি বিদেশী প্রতিনিধিদলকে আমরা দলীয় অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করেছি এবং দলের পক্ষ হতে দশটি প্রতিনিধিদল বিদেশে প্রেরণ করেছি। এছাড়া বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত এবং কূটনীতিবিদরা আমাদের দলীয় কার্যালয়ে একাধিকবার বৈঠকে মিলিত হয়ে পরস্পর স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলাপ আলোচনা ও মতবিনিময় করেছেন। যে সকল বিদেশী প্রতিনিধিদল আমাদের সাথে মিলিত হয়েছেন তাঁরা ভারত, যুগোশ্লাভিয়া,

সোভিয়েত ইউনিয়ন, জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, চেকোশ্লাভাকিয়া, বুলগেরিয়া, গিনি ও হাঙ্গেরী থেকে এসেছিলেন। একটি প্রতিনিধিদলকে আমরা অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করি। এ দলে ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি ও সাধারণ দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র কিছুদিন পর ৫ই মে ১৯৭২ সালে তিন সদস্য বিশিষ্ট ভারতীয় রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সম্পাদক ডঃ শঙ্করদয়াল শর্ম্মা, শ্রী চন্দ্রজিত যাদব এবং পশ্চিম বাংলা কংগ্রেস কমিটির সভাপতি জনাব আবদুস সাত্তার।

ঐ মাসের ১৯ তারিখে আসেন বিপ্লবী শ্রী সুরেন্দ্র মোহন ঘোষ। ২২শে ডিসেম্বর, ১৯৭২ তারিখে পরম সম্মানীয় ভারতীয় আইনমন্ত্রী শ্রী এইচ, আর গোখলে এবং ৭-৯-৭৩ তারিখে আসেন পশ্চিম বঙ্গের বাণিজ্যমন্ত্রী শ্রী তরুণকান্তি ঘোষ। আমরা বন্ধুরাষ্ট্রের প্রত্যেক প্রতিনিধিকে সাদর অভ্যর্থনা জানিয়েছি। বন্ধুরাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন হতে প্রথম প্রতিনিধি আমাদের কার্যালয়ে আসেন ১-১২-৭২ তারিখে লুমুম্বা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর এবং বাংলাদেশ- সোভিয়েত মৈত্রী সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডি, স্তানিস ও সোভিয়েত সাংবাদিক ভি, বাইদাকাভাতার্ন; ১৩-১১-৭৩ তারিখে মিঃ ইওলাব্রান আই, ইউ, এস, মিঃ আলেকজান্ডার গ্রিসেন, মেম্বর কেন্দ্রীয় যুব সংগঠন।

 

১৫-৪-৭৩ তারিখে আমাদের কার্যালয়ে আসেন চেকোশ্লাভ প্রতিনিধি দল। এতে ছিলেন কমরেড বিট্রা, কমরেড সারদা মিত্রা, কমরেড রুস্ট্রভ স্যাভোরটিয়াস এবং সাংবাদিক আরামোরা। ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানী হতে আমাদের কার্যালয়ে আসেন জার্মান গণপ্রজাতন্ত্রের বিশিষ্ট পার্লামেন্ট সদস্য মিঃ কার্ল হফম্যান ও মিঃ অভিলি ফিটার গত নভেম্বর মাসের ১০ তারিখে।

এছাড়া আমাদের কার্যকালের শেষ পর্যায়ে একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল আসে বন্ধুরাষ্ট্র যুগোশ্লাভিয়া হতে সংগঠনের বিশেষ আমন্ত্রণক্রমে। পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট এ প্রতিনিধি দলের নেতা ছিলেন মিঃ ভিঃ মিলাতোভিক যিনি যুগোশ্লাভিয়া সোস্যালিষ্ট এ্যালাইন্স এর সভাপতি। এতে অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন মিঃ ডুজেন্স ক্রাবিক, মিঃ ব্রাঙ্কোলুবোরাক, মিঃ হুগো রোকসেনডিক এবং মিঃ প্রাডরাস ডিউকোভিক ।

এই প্রতিনিধি দল আমাদের দলের নিজস্ব অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ সফর করেন। তাঁদের সাথে বর্তমান অবস্থার আলোকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সমস্যার বিস্তারিত আলোচনার পর দলের পক্ষ থেকে আমি এবং তাঁদের দলের নেতা একটি যুক্ত ইসতেহারে ১৪-১২-৭৩ তারিখে স্বাক্ষর প্রদান করি। ইস্তেহারে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে উভয় পক্ষের আন্তরিকতার প্রতিফলন ঘটে।

এছাড়া ঢাকায় অনুষ্ঠিত এশীয় শাস্তি সম্মেলন এবং বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির জাতীয় কংগ্রেস অধিবেশনে যে সকল সমাজতান্ত্রিক দেশের প্রতিনিধিরা যোগদান করেন তাঁদের আমরা আমাদের কার্যালয়ে অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করি। এ সমস্ত প্রতিনিধি দলে ছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়ন জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, হাংগেরী, বুলগেরিয়া চেকোশ্লাভাকিয়া, যুগোশ্লাভিয়া, নেপাল, দক্ষিণ ভিয়েতনাম, পোল্যান্ড, ভারত প্রভৃতি দেশের রাজনৈতিক এবং যুব সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ।

অনুরূপভাবে আমরা প্রতিনিধি দল প্রেরণ করেছি সোভিয়েত ইউনিয়ন, ভারতবর্ষ, জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র বুলগেরিয়া, যুক্তরাজ্য, পশ্চিম জার্মানী প্রভৃতি দেশে। দলের পক্ষ থেকে প্রথম দলীয় প্রতিনিধি দল প্রেরণ করা হয় ৩১-৫-৭২ তারিখে ভারতে। এ দলে ছিলেন দলের প্রথম সহ-সভাপতি জনাব কোরবান আলী ও সহ-সভাপতি জনাব আবদুর রহিম এবং ৩-১১-৭৩ তারিখে জনাব আবদুর রাজ্জাক সোভিয়েত ইউনিয়ন সফর করেন।

পূর্ব জার্মান সরকারের আমন্ত্রণ ক্রমে দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের একটি প্রতিনিধিদল ১৯৭৩ সালের জুলাই মাসে জি, ডি, আর, সোভিয়েত ইউনিয়ন, বুলগেরিয়া এবং যুক্তরাজ্য সফর করেন। এ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব করি আমি নিজে। অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জনাব মুস্তফা সারওয়ার, অফিস সম্পাদক জনাব আনোয়ার চৌধুরী, গবেষণা সেল প্রধান জনাব আবদুস সাত্তার ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মহিলা উপ-সংসদের সদস্যা বেগম আই, ভি, রহমান।

এ সমস্ত দেশ সফরকালে আমাদের দলীয় আদর্শ মুজিববাদের মহান বাণী প্রচার করি এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে মত বিনিময় করি। এই সফরের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য ছিল জার্মান গণপ্রজাতন্ত্রের ক্ষমতাসীনদল সোসালিস্ট ইউনিটি পার্টির সাথে একটি চুক্তি এবং যুক্ত ইসতেহার প্রকাশ। এছাড়া আগষ্ট মাসে দলের প্রথম সহ-সভাপতি জনাব কোরবান আলী এবং প্রচার সম্পাদক জনাব সরদার আমজাদ হোসেন যুক্তরাজ্য সরকারের আমন্ত্রণক্রমে যুক্তরাজ্যে সফর করেন।

স্বেচ্ছাসেবক উপ-প্রধান জনাব মাহফুজুল বারী ৯-৪-৭৩ তারিখে বেলজিয়াম এবং ১০-১০-৭৩ তারিখে জাপান, ১৯-৯-৭৩ তারিখে জনাব ফজলুল হক ভূঁইয়া বুলগেরিয়া এবং প্রায় ঐ সময়ে জনাব নুরুল ইসলাম বিশ্ব যুব সম্মেলনে দলের প্রতিনিধি হিসাবে জি, ডি, আর, যান। আর একটি প্রতিনিধিদল যান পশ্চিম জার্মানী। জনাব কোরবান আলীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলের অন্যান্য সদস্য ছিলেন জনাব নুরুল হক, সভাপতি, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ, জনাব আবদুল ওয়াজেদ, সভাপতি রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা মিসেস দিলারা হারুন। সর্বশেষ প্রতিনিধিদল বেগম আজরা আলী, বেগম মাহেমুনির ভারত সফরে যান।

১৯৭৩ সালের ২৫-৩১শে অক্টোবর তারিখে মস্কোতে অনুষ্ঠিত বিশ্বের শান্তিবাদীদের মহাসম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যোগদান করেন জনাব আবদুস সামাদ, জনাব আব্দুর রহিম, জনাব বাদল রশিদ, শেখ ফজলুল হক মনি, জনাব রফিউদ্দিন ভূঁইয়া, জনাব খোন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস, জনাব শামসুজ্জোহা, দেওয়ান নুরুল হোসেন (চঞ্চল), জনাব মোতাহার হোসেন তালুকদার, জনাব মোল্লা শামশুদ্দিন, মিস খালেদা খানম ও শ্রী পিযুষ কান্তি ভট্টাচার্য। এ দলের নেতৃত্ব করেন জনাব আবদুস সামাদ । উত্তর ভিয়েতনামে সেপ্টেম্বর মাসে প্রেরিত অপর প্রতিনিধি দলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে প্রতিনিধিত্ব করি আমি ও জনাব শেখ ফজলুল হক মনি।

অক্টোবর মাসে হাঙ্গেরীতে প্রেরিত প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব করেন ব্যারিস্টার জনাব বাদল রশিদ । ১৯৭৩ সালের জুলাই মাসে জার্মান গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী বার্লিনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব যুব সমাবেশে যোগদানকারী প্রতিনিধি দলে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে ছিলেন জনাব নুরুল ইসলাম এবং সাবেক গণপরিষদ সদস্য জনাব নুরুল ইসলাম ও মিস শাহেরা খাতুন ।

 

বিভেদ, উগ্রপন্থা, অন্তর্ঘাত ও নাশকতা

 

এছাড়া পার্লামেন্টারী প্রতিনিধি দলের প্রতিনিধি হিসাবে দলের মহিলা সম্পাদিকা বেগম সাজেদা চৌধুরী, বেগম নূরজাহান মোর্শেদ বেগম, বদরুন্নেছা আহমেদসহ আমাদের সংগঠনের নেতৃবৃন্দ পৃথিবীর বন্ধু রাষ্ট্রসমূহ সফর করেন।আমাদের কার্যকালে বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন কূটনীতিক মিশনের যে সকল প্রতিনিধির সাথে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বিভিন্ন সময় আলোচনা হয়েছে তারা হলেন-

সোভিয়েত ইউনিয়নের পূর্বতন রাষ্ট্রদূত হিজ এক্সিলেন্সি মিঃ ভ্যালেন্টিন এফ, পোপভ ও বর্তমান রাষ্ট্রদূত এইচ, ই, সি, এ, আন্দ্রে, ফোমিন, ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রী সুবিমল দত্ত, জি, ডি আর-এর এইচ, ই, মিঃ লোথার ওয়েনজেল, যুগোশ্লাভিয়ার রাষ্ট্রদূত এইচ, ই, ডঃ ডিজেন কটিক, হাঙ্গেরীর কাউন্সেলর মিঃ ফ্রিগেস ভাদাস এবং মিঃ এল, জিক্রা, ব্রিটিশ হাই কমিশনার এইচ, ই, মিঃ এ, এ, গোল্ডস, নেপাল হাই কমিশন থেকে মিঃ ওমেশ পি, অধিকারী, মালয়েশিয়ান হাই কমিশনার এইচ, ই, মি, আলী বিন আবদুল্লাহ, মিশরীয় রাষ্ট্রদূত এইচ, ই, ওয়াফা হিজাজী, বুলগেলিয়ান রাষ্ট্রদূত মিঃ এইচ, ই, মিঃ নিকোলে বয়েজীভ ইরাকের চার্জ দ্য এফেয়ার্স মিঃ হাসান আল-আনবারি, যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট সেক্রেটারী মিঃ ফ্রাঙ্ক জর্জ উইসনের।

এছাড়া দূতাবাসগুলির ভিন্ন ভিন্ন দায়িত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা সকল সময়েই আমাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন। আমরাও দলের পক্ষ থেকে যাবতীয় অনুষ্ঠানাদিতে তাঁদের নিমন্ত্রণ জানিয়েছি। যার মাধ্যমে ধীরে ধীরে আওয়ামী লীগ নেতা ও কর্মীদের সাথে এ সকল কূটনৈতিক মিশনের সদস্যদের মধ্যে ঐ সকল দেশের জনগণের সাথে আমাদের জনগণের সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে।

Leave a Comment