দেশে দ্রুত শিল্পায়ন ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে হবে

আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –দেশে দ্রুত শিল্পায়ন ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে হবে। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।

দেশে দ্রুত শিল্পায়ন ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে হবে

 

দেশে দ্রুত শিল্পায়ন ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে হবে

 

আওয়ামী লীগের শিল্পোন্নয়নের মূল লক্ষ্য হবে দেশজ শিল্পের বিকাশ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, উৎপাদন ও রপ্তানি বৃদ্ধি। আওয়ামী লীগ পোশাক ও বস্ত্রশিল্প, পাট ও পাটজাত দ্রব্য, চা, চামড়া ও অন্যান্য রপ্তানীমুখি শিল্প এবং কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

তাঁত শিল্পের আধুনিকীকরণ এবং বিকাশের লক্ষ্যে তাঁতীদের নিকট ন্যায্য মূল্যে সুতা সরবরাহ, ঋণদান ও উৎপাদিত দ্রব্যাদি বাজারজাতকরণের ব্যবস্থা করবে। কামার, কুমার, জেলেসহ বিভিন্ন কর্মজীবীর কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি ও ভাগ্যোন্নয়নের লক্ষ্যে বাস্তব পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

মুক্তবাজার অর্থনৈতিক নীতিমালা অনুসরণ করে ব্যক্তি উদ্যোগ, বিনিয়োগ ও ব্যক্তি মালিকানাধীন শিল্প খাতকে সকল প্রকার সহায়তা ও উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে। শিল্পায়নের সুষম প্রসারের জন্য জেলা ও থানা পর্যায়ে শিল্প স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

 

ক্ষুদ্র, মাঝারি, কুটির শিল্প ও শ্রমঘন শিল্পের প্রসার ঘটিয়ে দেশের নারী সমাজ ও বেকার যুব সম্প্রদায়ের জন্য ব্যাপক আত্মকর্মসংস্থানের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন সাধনের মাধ্যমে কর্মদক্ষতা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে এসব প্রতিষ্ঠানকে প্রতিযোগিতামূলক লাভজনক সংস্থায় পরিণত করা হবে।

অবাধ বাণিজ্যনীতির পাশাপাশি আমদানি ও রপ্তানির অসমতা দূর করে বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। দেশের অর্থনীতিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন দ্রুততর করবে। ব্যক্তিমালিকানাধীন কোন আর্থিক, বাণিজ্যিক বা শিল্প প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করা হবে না।

 

দেশে দ্রুত শিল্পায়ন ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে হবে

 

শিল্প নীতি গ্রহণ করা হয়েছে বিনিয়োগ সংক্রান্ত আইন-কানুন ও পদ্ধতি সমূহ সহজে করার জন্য। ফলে বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিরাষ্ট্রীয়করণের ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অগ্রাধিকার দানের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, সমবায়ের মাধ্যমে তারা শিল্প ক্রয় করতে পারবে।

Leave a Comment