আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় – আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়ন

- জনজীবনে শাস্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত এবং উন্নয়নের অনুকূল পরিবেশ বিনষ্ট করার জন্য সমাজ-বিরোধী শক্তি আওয়ামী লীগের শাসনামলে নানা ধরনের সন্ত্রাসী তৎপরতায় মদদ ও উস্কানি দিয়ে চলে। সন্ত্রাস দমন রোধে সরকার বেশ কিছু কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। অগ্রগতি ও উন্নয়নের জন্য সমাজের সর্বক্ষেত্রে শাস্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করা খুব সহজসাধ্য কাজ ছিল না। আওয়ামী লীগ সরকার সর্বতোভাবে চেষ্টা করেছে যাতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকে। এই না অর্জনে বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।
- শান্তি-শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন শ্রেণীর অতিরিক্ত ৫ হাজার নতুন পদ সৃষ্টিসহ এই বাহিনীকে আধুনিক ও গতিশীল করার লক্ষ্যে কমিউনিটি পুলিশ গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- পুলিশের কার্যক্রমকে আরো জোরদার ও মামলার তদন্ত কাজ দ্রুততার সাথে সম্পাদনের লক্ষ্যে থানা সদর থেকে দূরবর্তী অপরাধপ্রবণ এলাকায় অবস্থিত আগে ৪৭টি তদন্ত কেন্দ্রের অতিরিক্ত আরো ৩৬টি কেন্দ্র স্থাপন করা হয়।
- ঢাকা মহানগর এলাকায় আরো ৬টি নতুন থানা স্থাপন করা হয়।
- দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সন্ত্রাস দমন ও জনগণের নিরাপত্তা বিধানের ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। পর দক্ষিণ বাংলার জনগই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে। ত্রাস সৃষ্টিকারী অপরাধীদের গ্রেফতার করা হয়। সুইডেন আসলাম ও এরশাদ শিকদার এদের অন্যতম ।
- বর্তমান অর্থবছরের বাজেটে পুলিশ বাহিনীর উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের জন্য বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ২০০১-
- ২০০২ সালে ৮৫৪.৩০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়। বিগত বিএনপি সরকারের আমলে ১৯৯৫- ৯৬ সালে এ ক্ষেত্রে বরাদ্দ ছিল ৫১৮.৬৭ কোটি টাকা।
- পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের মনোবল বৃদ্ধি এবং কর্মে উদ্দীপনা সৃষ্টির লক্ষ্যে ঝুঁকিপূর্ণ কাজের জন্য
- সম্মানি চালু করা হয়।
- পুলিশ বাহিনীর কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করা হয়।
- আনসারদের ভাতা ২০% হারে বৃদ্ধি করা হয়। ১৫ বছরের বেশি সময় ধরে কর্মরত ও অঙ্গীভূত আনসারদের স্থায়ী করার ব্যবস্থা নেয়া হয়।
- আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব গ্রহণের পর পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের রেশন প্রাপ্তির হার দ্বিগুণ করে।
- আমাদের সরকার দেশে ২৫টি থানা, ৮৬টি তদন্ত কেন্দ্র, ৫৮টি হাইওয়ে ফাঁড়ি, ১৫০টি পুলিশ ক্যাম্প ও ১০টি ফাঁড়ি স্থাপন করে।
- এসআই পদে ৮০৩ জন, সার্জেন্ট পদে ৫০৭ জন ও কনস্টেবল পদে ১৪,৬৮০ জনকে নিয়োগ দেয়া হয়।

- দেশের ৯৭টি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন স্থাপন করা হয়। . শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস প্রায় উচ্ছেদ করার ফলে ছাত্রাবাস দখলের যুদ্ধ বন্ধ হয়।
- ক্যাম্পাসে শান্তি বিরাজ করায় সেশন জট দূর করার পথ সুগম হয়।
