অর্থনৈতিক উন্নয়ন : গতিশীল অধ্যায়ের সূচনা [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ]

আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় – অর্থনৈতিক উন্নয়ন : গতিশীল অধ্যায়ের সূচনা। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।

অর্থনৈতিক উন্নয়ন : গতিশীল অধ্যায়ের সূচনা

 

অর্থনৈতিক উন্নয়ন : গতিশীল অধ্যায়ের সূচনা

 

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উন্নয়নের সর্বাপেক্ষা গ্রহণযোগ্য সূচক হলো জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি। খালেদা জিয়ার সরকারের আমলে অর্থাৎ ৯১/৯২-৯৫ ও ৯৬ অর্থবছরে গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.৬ শতাংশ। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বার্ষিক প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়ায় ৫.৬ শতাংশ। ২০০০-২০০১ সালে প্রবৃদ্ধি হারের প্রাক্কলন ছিল ৬.২ শতাংশ। বাংলাদেশে এর আগে আর কখনও এতো উচ্চ হারে জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়নি এবং ধারাবাহিকভাবে উচ্চ প্রবৃদ্ধির হার ধরে রাখা যায়নি।

 সঞ্চয় ও বিনিয়োগ

  • খালেদা জিয়ার আমলে ৯৫/৯৬ অর্থবছরে দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সন্ধায়ের শতকরা হার ছিল ১৪.৯০। আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ বছরে অর্থাৎ ২০০০-২০০১ অর্থবছরে সঞ্চয়ের শতকরা হার দাঁড়ায় ১৭.৯০ শতাংশ।
  • খালেদা জিয়ার আমলে ৯৫/৯৬ অর্থবছরে জাতীয় সময়ের জিডিপির আওয়ামী লীগ আমলে ২০০০-২০০১ অর্থবছরে এই হারের পরিমাণ দাঁড়ায় ২০.৩ শতাংশ।

 

 ক্রমবর্ধনশীল বিনিয়োগ

  • ১৯৯৫/৯৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে সরকারি খাতে বিনিয়োগের হার ছিল ৬.২। ২০০০/ অর্থবছরে এই হার ছিল ৭.৯। • আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। ১৯৯৫/৯৬ সালে এই পরিমাণ ছিল ২৮৬ মিলিয়ন ডলার। ২০০০-২০০১ সালে বর্ধিত বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮১% মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

 

অর্থনৈতিক উন্নয়ন : গতিশীল অধ্যায়ের সূচনা

 

 মুদ্রাস্ফীতি : সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণাধীন

  • শতাব্দীর প্রলয়ঙ্করী বন্যা, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ২০০০ সালের মার্চে সর্বোচ্চ পর্যাতে উন্নীত হওয়া এবং অন্যান্য সাধারণ পণ্যের দাম প্রায় ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পাওয়া এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় অর্থনৈতিক ধস সত্ত্বেও সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়।
  • খালেদা জিয়ার আমলে ৯৪/৯৫ অর্থবছরে গড় মুদ্রাস্ফীতি ছিল ৮.৮। ২০০০-২০০১ বছরে মুদ্রাস্ফীতির হার কমে দাঁড়ায় ১.৫৯ শতাংশ এবং পাঁচ বছরব্যাপী এর গড় ছিল মাত্র ৪.৪ শতাংশ।

Leave a Comment