আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় – ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা
![ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা [ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 2 ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2023/03/অসাংবিধানিক-ধারা-প্রতিক্রিয়ার-যুগ-4.jpg)
- খালেদা জিয়ার সরকার দেশের অর্থনীতি খাতে যেসব অনিয়ম ও অরাজকতা সৃষ্টি করে গিয়েছিল, আওয়ামী লীগ সরকার তার শাসনামলে তা দূর করার জন্য আইনগত কাঠামো উন্নয়নে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। ব্যাংক ঋণ নিয়ে পরিশোধ না করার যে ধারা সৃষ্টি হয়েছিল, তা বন্ধ করা এবং ব্যাংক ঋণ আদায়ে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যাংকিং সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়।
- স্বতন্ত্র-ঋণ আদালত প্রতিষ্ঠা, দেউলিয়া আইন জারি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তদারকি জোরদার, বিভিন্ন আইন সংশোধন এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে ব্যাংকিং খাতে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত নৈরাজ্য প্রতিহত করে ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হয়।
- বাংলাদেশে তফশিলি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের স্কুল হার ‘৯৬ সালের ডিসেম্বরে দাঁড়ায় ৪১ শতাংশ, এই হার ২০০০ সালে নেমে আসে ৩৪.০ শতাংশে।
![ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা [ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 3 ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2023/03/অসাংবিধানিক-ধারা-প্রতিক্রিয়ার-যুগ-6.jpg)
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচি এবং অনিয়মাদি দূর করার পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা অর্জন সবচেয়ে বড় সাফল্য হিসেবে প্রতিভাত হয়।
![ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা [ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 1 আওয়ামী লীগের নতুন অর্থনৈতিক নীতিমালা গ্রহণ](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2015/01/আওয়ামী-লীগের-নতুন-অর্থনৈতিক-নীতিমালা-গ্রহণ-2-e1680159991918.jpg)