আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন : সকল কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন : সকল কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র

- ১৯৯৬-৯৭ থেকে ২০০০-২০০১ অর্থবছরে স্থানীয়-সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরকে পল্লী অঞ্চলেবিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৯,৩৮২ কোটি টাকা মঞ্জুর করা হয়। এলজিইডি গত পাঁচ বছরে ২২,১৫৯ কিলোমিটার মাটির সড়ক, ৯.১৭৭ কিলোমিটার পাকা রাস্তা নির্মাণসহ ৭২৮টি প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র নির্মাণ করে। ইউনিয়ন কাউন্সিলের সচিবদের সরকারি অনুদানের হিস্যা ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশে উন্নীত করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদের সচিবদের জন্য ২০০১/০২ সালের রাজস্ব বাজেটে ৫.৯ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেওয়া শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি অনুসারে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সম্মানি বৃদ্ধির জন্য রাজস্ব বাজেটে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের কল্যাণ ট্রাস্টের জন্য সরকারি অনুদান বাবদ এক কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়।
- আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসেই স্থানীয়-সরকার বিষয়ে সুপারিশমালা প্রণয়নের জন্য স্থানীয়-সরকার কমিশন গঠন করে।
- এই কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী চার স্তর বিশিষ্ট স্থানীয়-সরকার ব্যবস্থা, যথা আম, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে স্থানীয়-সরকার প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেয়া হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক সামর্থ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভূমি হস্তান্তর করে ১% অর্থ ইউনিয়ন পরিষদের তহবিলে প্রদানের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আয়ের উৎস যাতে আরও বৃদ্ধি করা যায়, সেদিকটিও সক্রিয় বিবেচনাধীন ছিল।
- আওয়ামী লীগ সরকারের সকল কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র ছিল পল্লী অঞ্চল। আর তাই ৯৫/৯৬ অর্থবছরে যেখানে পল্লী- উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ খাতে বরাদ্দ ছিল ৭২৭.২৪ কোটি টাকা, সেখানে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০০/২০০১ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করে ১৮২৩.৭৬ কোটি টাকা করা হয়।

- আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিগত ৫ বছরে এই খাতে মোট বরাদ্দ ২৫০ শতাংশ বেড়েছে।
