সাংস্কৃতিক কার্যক্রম

আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –   সাংস্কৃতিক কার্যক্রম। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।

 সাংস্কৃতিক কার্যক্রম

 

 সাংস্কৃতিক কার্যক্রম

 

  • একুশে ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গৌরব অর্জন জাতির জীবনে এক অনন্য সাধারণ ঘটনা।
  • সকল জেলায় সাংস্কৃতিক কার্যক্রম প্রসারের লক্ষ্যে ৩৬টি জেলা ও ৬টি থানায় উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে শিল্পকলা একাডেমী স্থাপনসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।
  • অবশিষ্ট ২৭টি জেলায় শিল্পকলা একাডেমী স্থাপনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। .
  • জেলা পর্যায় ও বিভাগীয় শহরে পাবলিক লাইব্রেরিসমূহের উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়।
  • প্রখ্যাত কবি-সাহিত্যিক ও শিল্পীদের স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য বেশ কয়েকটি উন্নয়ন প্রকল্প চালু করা হয়।
  • খুলনায় নতুন বিভাগীয় জাদুঘর উদ্বোধন করা হয়। ঔপনিবেশিক আমলের অভিনয় নিয়ন্ত্রণ আইন ১৮৭৬ বাতিল করা হয়।
  • বাংলা একাডেমী চত্ত্বরে একুশে ভবন নির্মাণ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ওপর গবেষণা ও প্রকাশনার জন্য দুটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। ঢাকায় সোনার বাংলা সাংস্কৃতিক বলয় গড়ে তোলার কাজ হাতে নেওয়া হয়।
  • বাংলাদেশের লুপ্ত ও পরিবর্তনশীল লোক ঐতিহ্য তুলে ধরার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার ঐতিহাসিক সোনারগাওয়ে জাদুঘর উদ্বোধন করে। দেশের দুস্থ শিল্পী ও সাহিত্যিকদের মাসিক ভাতা বাড়িয়ে ৪৭ লক্ষ টাকা করা হয়।
  • প্রায় ৪৪ কোটি টাকা ব্যয়ে জাতীয় চিত্রশালা ও নাট্যশালার নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলে।
  • জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য টুঙ্গীপাড়ায় জাতির জনকের সমাধিস্থলে সৌধ নির্মিত হয়।
  • মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান এবং তাঁর স্মৃতি বিজড়িত যশোরের সাগরদাঁড়িতে মধুপল্লী স্থাপনের কাজ আওয়ামী লীগ সরকার সফলভাবে বাস্তবায়ন করে।
  • কুষ্টিয়ার শিলাইদহে রবীন্দ্র কুঠিবাড়িতে সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলে।
  • রংপুর জেলার পায়রাবন্দে বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র স্থাপনের কাজ শুরু করা হয়।
  • কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় লালন একাডেমী কমপ্লেক্স নির্মাণের কাজ অগ্রসর হতে থাকে।
  • সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ৩৭টি উন্নয়ন প্রকল্প ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত হয়।

 

 সাংস্কৃতিক কার্যক্রম

 

  • ২১.২ মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখা ঐতিহাসিক মুজিব নগরে ‘মুজিব নগর’ কমপ্লেক্স স্থাপন করার কাজ শুরু করা হয়।
  • ঢাকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে ‘শিখা চিরন্তন’ স্থাপন ও স্বাধীনতাঋন্ত নির্মাণের কাজ অনেক দূর এগিয়ে যায়।
  • ঢাকার রায়ের বাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়।

Leave a Comment