আজকে আমদের আলোচনার বিষয় মুক্তিযুদ্ধে চীনের ভূমিকা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং তিন পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীনের বৈদেশিক নীতির বিষয়ে নানা তর্কবিতর্ক ও সমালোচনা রয়েছে। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি চীনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত হয় ১১ই জুলাই ইয়াহিয়ার প্রতি চৌ এন লাইয়ের চিঠির মাধ্যমে। পিপলস ডেইলিতে সোভিয়েত প্রক্রিয়ার সমালোচনা করা হয় বাংলাদেশকে সমর্থন দানের জন্য। চৌ এন লাই পাকিস্তানের ‘জাতীয় স্বাধীনতা’ ও “রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায়” চীনের দ্ব্যর্থহীন সমর্থনের কথা জানান।
মুক্তিযুদ্ধে চীনের ভূমিকা

মুক্তিযুদ্ধে চীনের ভূমিকা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বহির্বিশ্বের যেসব শক্তি ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল চীন তাদের অন্যতম। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে চীনের সরকারি অবস্থান ছিল পাকিস্তানের প্রতি পক্ষপাতমূলক। বাংলাদেশের সংকট নিয়ে চীনের প্রথম প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত হয় ১১ এপ্রিল ১৯৭১ সালে প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার প্রতি চৌ এন লাই-এর চিঠির মাধ্যমে।
ঐ চিঠিতে চৌ এন লাই পাকিস্তানের ঘটনাবলীকে সে দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার বলে জানান এবং জনগণ বিদেশী হস্তক্ষেপ ছাড়াই তা সমাধান করবে বলে উল্লেখ করেন। এমনকি পাকিস্তানের ‘জাতীয় স্বাধীনতা’ ও ‘রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় চীনের দ্ব্যর্থহীন সমর্থনের কথাও তিনি জানিয়েছিলেন। অবশ্য চিঠিতে তিনি সরাসরি মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী কোন বক্তব্য রাখেন নি।
তবে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে চীন বাঙালির সংগ্রাম ও নির্যাতনের প্রতিও কোন সহানুভূতি দেখায় নি। বরং পাক সামরিক চক্রের প্রতি জানিয়েছিল অকুণ্ঠ সমর্থন। এমনকি চীনপন্থী রাজনীতিবিদ হিসাবে পরিচিত মাওলানা ভাসানীর আকুল আবেদন সত্ত্বেও চীনা নীতিতে কোন পরিবর্তন আসেনি।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন নয় মাসে চীনের নীতি ও কার্যক্রমকে দু’ভাগে ভাগ করা যায় যথা-
মুক্তিযুদ্ধের শুরু হতে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত:
১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধ শুরুর পূর্ব পর্যন্ত চীন পাকিস্তানপন্থী থাকলেও মোটামুটিভাবে বাঙালির সংগ্রাম বিরোধী কোন মন্তব্য করেনি। এমনকি এপ্রিল হতে অক্টোবর পর্যন্ত চীন প্রকাশ্যে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কোন মন্তব্য করেনি। তবে গোপনে সে পাকিস্তানের সামরিক চক্রকে নৈতিক শক্তি ও সাহস যুগিয়েছিল এবং সরাসরি সামরিক উপকরণ সরবরাহ করেছিল।
১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট ভারত-সোভিয়েত চুক্তি স্বাক্ষরের পর চীনের পাকিস্তানপন্থী নীতি আরও প্রকট হয়ে ওঠে। সেপ্টেম্বর মাসে চীন পাকিস্তানকে এই বলে আশ্বস্ত করে যে, জাতীয় স্বার্থরক্ষায় চীন পাকিস্তানকে সাহায্য করবে। তখন পর্যন্তও চীনের বক্তব্যে বাঙালি বিরোধী তেমন বক্তব্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। এজন্য প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার অনেক সময় আশা করতেন যে শেষপর্যন্ত হয়তো চীন সংগ্রামী বাঙালির পক্ষে দাঁড়াবে।
কিন্তু সে আশা সফল হয়নি। যাহোক, ৫ নভেম্বর চীনাদের আস্থাভাজন ভুট্টোর নেতৃত্বে একটি পাক প্রতিনিধিদল চীন সফরে যায়। চীন থেকে অতিরিক্ত অঙ্গীকার বা সাহায্য পাওয়ার আশায়। কিন্তু চীনের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী চি পেঙ ফী পূর্ব পাকিস্তানের সমস্যার একটি ন্যায়সঙ্গত সমাধান খুঁজে বের করার জন্য আহবান জানিয়েছিলেন। বাঙালি বিরোধী বক্তব্য না রাখলেও পশ্চিম পাকিস্তান সীমান্ত দিয়ে চীন নিয়মিতভাবে পাকিস্তানকে সমরাস্ত্র পাঠাতো।
এছাড়াও গেরিলা যুদ্ধে প্রশিক্ষণ দানের জন্য চীন অক্টোবর মাসে ঢাকায় ২০০ (দু’শ জন) সামরিক বিশেষজ্ঞ পাঠিয়েছিল। উল্লেখ্য, ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের পর হতে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান মোট ২০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের চীনা সামরিক উপরকণ সাহায্য হিসাবে পেয়েছে- যার মধ্যে ১৯৭১ সালেই সরবরাহ করেছিল ৪৫ মিলিয়ন ডলারের অস্ত্র। আর চীনের রাইফেল ও অন্যান্য উন্নত সমরাস্ত্র দিয়েই পাকবাহিনী নির্বিচারে হত্যা করেছে বাঙালিকে।
৩ ডিসেম্বর হতে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ :
১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতের পূর্বাঞ্চলে সামরিক হামলা করলে শুরু হয় সরাসরি পাক-ভারত যুদ্ধ। এ সময় হতে চীন জাতিসংঘে সরাসরি বাঙালি বিরোধী ভূমিকা পালন করতে শুরু করে। পাক-ভারত যুদ্ধের জন্য চীন সোভিয়েত ইউনিয়নকে দায়ী করে।
যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য একটি রাজনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করা এবং পাকবাহিনীর বর্বরতার ফলে সৃষ্ট ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করার লক্ষে ৫ ও ৭ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়ন জাতিসংঘে দু’টি প্রস্তাব উপস্থাপন করে। কিন্তু প্রস্তাব দুটোর বিরুদ্ধে চীন প্রথম ভেটো প্রয়োগ করে এবং চীনের নিজস্ব প্রস্তাবে ভারতকে আগ্রাসী পক্ষ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
এখানে একটি বিষয় উল্লেখ্য যে, চীন জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের মাত্র ৪০ দিনের মাথায় নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী আসন লাভের পর প্রথম প্রস্তাবেই ভেটো প্রয়োগ করেছিল। যাহোক, ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হলে চীন এক বিবৃতিতে ‘তথাকথিত’ বাংলাদেশের সৃষ্টির জন্য সোভিয়েত ইউনিয়ন ও ভারতের তীব্র সমালোচনা করে।
স্বাধীন বাংলাদেশকে ‘তথাকথিত বাংলাদেশ’ বলে অভিহিত করা বাঙালির স্বাধীন অস্তিত্বের প্রতি ছিল চরম ঘৃণা ও অবহেলার শামিল। এমনকি বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত চীন বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবেই স্বীকৃতি দেয়নি।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চীনের বিরোধিতার কারণ :
চীনের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী ও পাকিস্তানপন্থী নীতি গ্রহণের কারণগুলোকে নিম্নোক্তভাবে চিহ্নিত করা যায়-
১. চীন নিজেই একটি বহুজাতিক রাষ্ট্র। চীনা, মঙ্গোল, তিব্বতি, তুর্কি ইত্যাদি জনগোষ্ঠী নিয়ে গড়ে উঠেছে চীনের রাষ্ট্রীয় সত্তা। আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রশ্নে চীনা জনগোষ্ঠীসমূহের মধ্যে তখনই অনেক সমস্যা বিদ্যমান । তাই একাধিক জাতি অধ্যুষিত পার্শ্ববর্তী কোন দেশে সংগ্রামরত কোন জনগোষ্ঠীকে সমর্থন করলে ভবিষ্যতে তা তার অভ্যন্তরীণ সংহতির প্রতি হুমকি হবার সম্ভাবনা ছিল।
২. চীন নিজেই তাইওয়ানকে মূল ভূ-খন্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করতে সচেষ্ট ছিল। তাই পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান হতে স্বাধীন হওয়ার সংগ্রামে সমর্থন দিলে তা হতো চীনের দ্বিমুখী নীতিরই পরিচায়ক।
৩. চীনের বিবেচনায় মুক্তিযুদ্ধ স্বতঃস্ফূর্ত সংগ্রাম ছিল না এবং সত্যিকার অর্থে এটা কৃষক-শ্রমিক জনতার সমর্থনপুষ্ট একটি গণযুদ্ধ ছিল না। বরং ভারত- পাকিস্তান সমর্থনপুষ্ট হয়ে কিছু বিভ্রান্ত বুর্জোয়া বাঙালি নেতা পাকিস্তানের সংহতি বিনষ্টের সংগ্রামে লিপ্ত বলে চীন মনে করেছিল।
৪. ভারতে আওয়ামী নেতৃবৃন্দের প্রকাশ্য কর্মকান্ড থেকে চীন যথার্থই অনুধাবন করেছিল যে, বাংলাদেশের অভ্যুদয় হলে তা হবে ভারতের প্রভাবাধীন একটি রাষ্ট্র এবং চূড়ান্ত বিচারে চীনের দক্ষিণ সীমান্ত এলাকায় এ রাষ্ট্রটি রুশ-ভারত আঁতাতের একটি তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হবে- যা হবে চীনের জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি হুমকিস্বরূপ ।
৫. সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও চীন-সোভিয়েত ইউনিয়ন সম্পর্ক ছিল শত্রুতার। তাই দক্ষিণ এশিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়নর প্রভাব সম্প্রসারণ মোকাবেলায় পাকিস্তানের সঙ্গে চীনের সহযোগিতা করার প্রয়োজন ছিল। বিশেষ করে ভারত-সোভিয়েত মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরের পর চীন শঙ্কিত হয়ে পড়ে যে, পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে পাকিস্তান দূর্বল হয়ে পড়লে ভারতের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।
৬. পাকিস্তান ছিল চীনের ঘনিষ্ঠ মিত্র। তাই সংকটকালে চীন যদি পাকিস্তানকে সমর্থন না করে মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করে, তবে অন্যান্য বন্ধু রাষ্ট্রের মধ্যে চীনের বন্ধুত্ব নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হবে ।
সুতরাং নিজস্ব সুবিধা ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির সব কিছু বিবেচনা করেই চীন মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী অবস্থান গ্রহণ করেছিল। তবে চীনের দক্ষিণ সীমান্তের নিরাপত্তার স্বার্থে চীন কর্তৃক শক্তিশালী পাকিস্তান টিকিয়ে রাখার নীতি গ্রহণযোগ্য হলেও আদর্শিক দিক দিয়ে বিচার করলে চীনের নীতি ছিল বিভ্রান্তকর।
কারণ আওয়ামী লীগ একটি বুর্জোয়া দল হলেও মুক্তিযুদ্ধ কোন দলের ছিল না বরং কৃষক-শ্রমিক-জনতার অংশগ্রহণে মুক্তিযুদ্ধ একটি গণযুদ্ধে পরিণত হয়েছিল। আপামর জনতা ছিল এ যুদ্ধের প্রধান শক্তি। সুতরাং বলা যায় যে, আদর্শ নয় বরং জাতীয় স্বার্থেই চীন ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী।

মুক্তিযুদ্ধে চীনের ভূমিকার সারসংক্ষেপ
মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে চীনের যে ভূমিকা ছিল তা আপাতদৃষ্টিতে পাকিস্তান ঘেঁষা হলেও মূলত তা ছিল চীনের জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখন্ডতা নিশ্চিত করার নীতি। দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের বিরুদ্ধে রুশ- ভারত আঁতাতের ফলে চীন বেশ শঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। সুতরাং স্বাভাবিক কারণেই সে প্রতিবেশী অপর রাষ্ট্র পাকিস্তান এবং অন্যতম পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ঝুঁকে পড়েছিল।
তবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চীনের বিরোধিতার জন্য বাংলাদেশের চীনপন্থী দলগুলোর ভূমিকাকেও ছোট করে দেখার অবকাশ নেই। কারণ চীনপন্থী দলগুলো আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পরিচালিত অসহযোগ আন্দোলনকে বুর্জোয়া পথ বলে তা গ্রহণ করেনি এবং আওয়ামী লীগ কর্তৃক গৃহীত যে কোন পদক্ষেপের মধ্যে ভারতের গন্ধ খুঁজতে ব্যস্ত থাকতো। সুতরাং এদেশের বামদের কর্মকান্ডও চীনা নীতিতে প্রভাব ফেলেছিল।
তবে সরকারিভাবে চীনা নীতি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে হলেও চীনের অধিকাংশ জনগণের সমর্থন ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি। তাই ১৯৭১ সালের ৭ নভেম্বর ভুট্টোর চীন সফরকালে পিকিং-এ একদল চীনা যুবক ভুট্টো ও পাকিস্তান বিরোধী স্লোগান দিয়ে জানতে চায় যে, পাকিস্তান সরকার কেন পূর্ব পাকিস্তানিদের ন্যায়সঙ্গত রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে।
সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, চীন জাতিসংঘে ভেটো ক্ষমতার অধিকারী হয়ে প্রথমবারই ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে। এমনকি বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরও চীন বাংলাদেশকে ‘তথাকথিত বাংলাদেশ বলে আখ্যায়িত করে।

সহায়ক গ্রন্থপঞ্জি
১। ড. সৈয়দ আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাশক্তির ভূমিকা।
২। মেজর রফিকুল ইসলাম পি.এস.সি, মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট: বিরোধী শক্তি ও বৃহৎশক্তির প্রতিক্রিয়া ।
৩। এ.এস.এম. সামছুল আরেফিন সম্পাদিত, মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান।
৪। হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র, ত্রয়োদশ খন্ড ।

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন :
১। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শুরু হতে পাক-ভারত যুদ্ধ শুরুর পূর্ব পর্যন্ত চীনা নীতি ও কার্যক্রম ব্যাখ্যা করুন ।
২। ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর পাক-ভারত যুদ্ধ শুরুর পর হতে মুক্তিযুদ্ধের প্রতি চীনা নীতি ব্যাখ্যা করুন ।
৩। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চীনের বিরোধিতার দু’টি কারণ উল্লেখ করুন।
রচনামূলক প্রশ্ন:
১। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চীনের নীতি ও কার্যক্রম ব্যাখ্যা করুন।
২। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে চীন কেন বিরোধিতা করেছিল? আলোচনা করুন ।
