আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গৃহীত পদক্ষেপ ও অর্জিত সাফল্য। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
রাজনৈতিক ক্ষেত্রে গৃহীত পদক্ষেপ ও অর্জিত সাফল্য

ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা :
১৯৯৬-এর নির্বাচনী ইশতেহারে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছে। আওয়ামী লীগের শাসনামলে জাতীয় সংসদের উপ-নির্বাচন, ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার নির্বাচনসহ সকল পর্যায়ে জনগণ নির্ভয়ে ও অবাধে তাদের পছন্দমতো প্রার্থীর পক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছে।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন :
বিএনপি-র মতো কোনো বিতর্কিত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি না করে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হিসেবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ ব্যক্তিত্ব সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান ও প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করেছে। গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার ইতিহাসে সর্বপ্রথম এই দৃষ্টান্ত স্থাপনকে দলমত নির্বিশেষে সমগ্র দেশবাসী অভিনন্দিত করেছে।
সংসদীয় কার্যক্রম :
গণতন্ত্র লাভ করছে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ। নিশ্চিত করা হয় সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। সংসদকে সকল কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু করা, সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলোতে মন্ত্রীর বদলে সংসদ সদস্যদের চেয়ারম্যান করা এবং সংসদে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা। সর্বোপরি, দেশের ইতিহাসে এই প্রথম পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সাফল্যের সঙ্গে তার মেয়াদ পূর্ণ করেছে।
আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা :
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা ছিল আওয়ামী লীগের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। ক্ষমতাসীন হবার অল্পদিনের মধ্যেই কুখ্যাত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে আওয়ামী লীগ জাতিকে কলঙ্কমুক্ত করে। এর ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জেল হত্যা বিচারের বাধা অপসারিত হয়। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচারের রায় ঘোষিত হয়েছে, ঐ রায় বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জেল হত্যাসহ অন্যান্য হত্যার বিচার-প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতা :
আওয়ামী লীগ সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে। এই প্রথম কার্যকর করা হয়েছে সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ। বিচার বিভাগের জন্য বাজেট বরাদ্দের আর্থিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব স্বাধীনভাবে সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত করাসহ সরকারের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে পৃথক করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু করা হয়।
বিচার ত্বরান্বিত ও ন্যায়বিচার সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যে গঠন করেছে আইন সংস্কার কমিশন। আইনের যুগোপযোগী সংশোধন ও প্রয়োজনীয় নতুন নতুন আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়িত করেছে। আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ে একটি ড্রাফটিং উইং প্রতিষ্ঠা করা ছাড়াও গঠন করা হয়েছে জুডিশিয়াল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট। হাইকোর্ট ভবনের সম্প্রসারণ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা হয়েছে, যাতে পৃথকভাবে ৪০টি এজলাসে একই সময়ে মামলার বিচারকার্য চলতে পারে।
স্থানীয় সরকার :
ক্ষমতার বিকেন্দ্রায়ন, জনগণের ক্ষমতায়ন ও তৃণমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে চার-স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গ্রাম পরিষদ, উপজেলা ও জেলা পরিষদ আইন সংসদে পাস করা হয়েছে।
সংবাদপত্র ও বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতা : বাক-ব্যক্তি ও মত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতার পাশাপাশি সংবাদপত্র ও সংবাদ মাধ্যমসমূহ ভোগ করছে পূর্ণ স্বাধীনতা। নিশ্চিত করা হয়েছে অবাধ তথ্য-প্রবাহ। সংবাদপত্রে সরকারি মালিকানা লোপ করা হয়েছে। ব্যক্তি মালিকানায় একাধিক টেরিস্টিয়াল টেলিভিশন চ্যানেল চালু এবং বেতার-টেলিভিশনের স্বায়ত্তশাসন প্রদানের লক্ষ্যে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি :
দলীয় প্রভাবমুক্ত একটি সৎ, দক্ষ, সুশৃঙ্খল ও ন্যায়পরায়ণ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছে প্রশাসন সংস্কার কমিশন। এই লক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রণীত কমিশনের অনেক সুপারিশ বাস্তবায়িত করা হয়েছে। বিএনপি আমলে ভেঙে পড়া প্রশাসনের মর্যাদা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হয়েছে।
প্রজাতন্ত্রের কর্মবৃত্তে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কল্যাণে আওয়ামী লীগ তার প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ‘বেতন কমিশন’ গঠন ও তার সুপারিশ বাস্তবায়িত করেছে, তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। পদোন্নতির ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের জটিলতার নিরসন করে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন যোগ্য কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। অন্যান্য স্তরের কর্মচারীদেরও যথাযোগ্য পদোন্নতি ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।
খাদ্যে স্বয়ম্ভরতা অর্জন :
শেখ হাসিনার সরকারের আমলেই দেশ সর্বপ্রথম খাদ্যে স্বয়ম্ভরতা অর্জন করেছে। নির্দিষ্ট সময়ের দুই বছর আগেই খাদ্যে বিএনপি আমলের ৪০ লক্ষ টন ঘাটতি পূরণ করে স্বয়ম্ভরতা অর্জন এবং ২ কোটি ৭০ লক্ষ মেট্রিক টন-এর রেকর্ড পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন আওয়ামী লীগ সরকারের একটি যুগান্তকারী সাফল্য।
২৫ লক্ষ মেট্রিক টন উদ্বৃত্ত খাদ্য উৎপাদন করে আওয়ামী লীগ সরকার দেশবাসীর জন্য গড়ে তুলেছে একটি নির্ভরযোগ্য খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এটা সম্ভব হয়েছে কৃষক ভাইদের প্রতি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি প্রদান, হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ সুবিধা দান, বাঁধা দরে সময়মতো সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎ, সেচ ও কৃষি সরঞ্জামসহ প্রভৃতি ক্ষেত্রে কর ও শুল্ক হ্রাস, সর্বোপরি, কৃষিপণ্যের লাভজনক দামের নিশ্চয়তা বিধানের ফলে।
কৃষক ও কৃষির সামগ্রিক উন্নয়ন এবং তার আধুনিকায়নের লক্ষ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে সুসমন্বিত কৃষিনীতি, বীজনীতি ও ফসলনীতি। পক্ষান্তরে বিএনপি সরকারের আমলে খাদ্যশস্য উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির হার নেমে গিয়েছিল শূন্যের কোঠায়। ন্যায্যমূল্যে সারের দাবি জানাতে গিয়ে বিএনপি সরকারের পুলিশের গুলিতে প্রাণ দিতে হয়েছিল ১৮ জন নিরীহ কৃষককে। কৃষকের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বাংলার শ্যামল প্রান্তর।
গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি :
অতীতের সরকারগুলো, বিশেষত, বিএনপি ভারতের সঙ্গে অমীমাংসিত সমস্যাগুলোর সমাধানে কেবল ব্যর্থই হয়নি, গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যার প্রশ্নটি উত্থাপন করতেই ভুলে গিয়েছিল। অথচ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণের মাত্র ৬ মাসের মধ্যে, ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের সঙ্গে গঙ্গা নদীর পানি বণ্টনে ত্রিশ বছর মেয়াদি চুক্তি সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের ফলে একদিকে যেমন উত্তরবঙ্গের মরুকরণ-প্রক্রিয়া রোধ করা সম্ভব হয়েছে, অন্যদিকে তেমনি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীগুলোতে লবণাক্ততা দূর হয়েছে এবং জি-কে প্রজেক্টভুক্ত এলাকায় বন্ধ হয়ে যাওয়া সেচ প্রকল্পগুলো পর্যাপ্ত পানি পেয়ে শস্য শ্যামলা হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের ইতিহাসে এই প্রথম গ্রহণ করা হয়েছে দীর্ঘমেয়াদি পানিনীতি।
পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠা :
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি সম্পাদন আওয়ামী লীগ সরকারের এক ঐতিহাসিক সাফল্য। এর ফলে দেশের এক-দশমাংশ জুড়ে দীর্ঘ দুই দশকের যুদ্ধাবস্থার অবসান ও ভ্রাতৃঘাতী হানাহানি বন্ধ হয়েছে, সংরক্ষিত হয়েছে পাহাড়ি ও বাঙালিদের ন্যায্য স্বার্থ। উপজাতীয় বা ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগত সমস্যার শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধানে পার্বত্য শান্তিচুক্তি সারা বিশ্বে স্থাপন করেছে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত ।
অর্পিত সম্পত্তি আইন বাতিল :
অর্পিত সম্পত্তি আইন (শত্রু সম্পত্তি) বাতিল করা হয়েছে। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তানি শাসকদের প্রবর্তিত দেশবাসীকে বিভক্তকারী মানবাধিকার-বিরোধী এই বৈষম্যমূলক আইন রহিত করে আওয়ামী লীগ তার অঙ্গীকার পূরণ করেছে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস :
মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল বলেই ভাষা শহীদের আত্মদানে ভাস্বর মহান একুশে ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘ কর্তৃক ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের’ স্বীকৃতি লাভ করেছে। এখন থেকে বাংলাদেশের পাশাপাশি সারা বিশ্বের প্রতিটি দেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় এই দিবস পালিত হবে। বস্তুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত উদ্যোগ এই গৌরব অর্জনে পালন করেছে নিয়ামক ভূমিকা।
শতাব্দীর প্রলয়ঙ্করী বন্যা ও দুর্যোগ মোকাবেলা :
১৯৯৭ সালের উপকূলীয় ঘূর্ণিঝড়, ১৯৯৮ সালের শতাব্দীর প্রলয়ঙ্করী অর্জন করেছে। ১৯৯৮ সালে দেশের ৫৩টি জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া বিধ্বংসী বন্যায় দু’কোটি মানুষ না খেয়ে কন্যা এবং ২০০০ সালে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১১টি জেলায় ৫০ (পঞ্চাশ) বছরের মধ্যে প্রথম আকস্মিক ভয়াবহ বন্যা মোকাবেলায় আওয়ামী লীগ সরকারের অভূতপূর্ব সাফল্য দেশবাসী ও বিশ্ব-সম্প্রদায়ের বিপুল প্রশংসা মারা যাবে বলে বিরোধী দল যে প্রচার করেছিল, তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়।
একজন মানুষও খাদ্যের অভাবে মারা যায়নি। এত বড়ো প্রলয়ঙ্করী বন্যার পরও খাদ্যশস্যের বাম্পার ফলন ও জাতীয় অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধির উচ্চহার অর্জনের মতো ঘটনার ভেতর দিয়ে বন্যাত্তোর পুনর্বাসন কর্মসূচির বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্যই প্রমাণিত হয়।

নারীর ক্ষমতায়ন:
নারীর অধিকার, মর্যাদা ও ক্ষমতায়নে আওয়ামী লীগের সাফল্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। সরকার ১৯৯৭ সালের ৮ মার্চ নারী উন্নয়ন নীতিমালা ঘোষণা করে। নারীর ক্ষমতায়নে গ্রহণ করা হয় সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা। এই প্রথম ব্যক্তির পরিচয়ের ক্ষেত্রে পিতার নামের পাশাপাশি মায়ের নামের উল্লেখ থাকাকে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ব্যবস্থা করা হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভাসহ স্থানীয় সরকারে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনে সরাসরি নির্বাচনের। এই ব্যবস্থায় ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের প্রায় ৪৫ হাজার মহিলা অংশগ্রহণ করেন এবং এর মধ্যে প্রায় ১৩ হাজার মহিলা চেয়ারম্যান ও সদস্যপদে সরাসরি নির্বাচিত হয়েছেন।
সরকারি উচ্চপদে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে যোগ্য মহিলাদের পদোন্নতি ও নিয়োগ দান করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম হাইকোর্টের বিচারপতি, সচিব, জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারসহ প্রশাসনের উচ্চপদে মহিলারা নিয়োগ লাভ করেন।
এ-ছাড়া সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীতে মেয়েদের নিয়োগ, নারী শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি, বয়োবৃদ্ধি বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা দু’লক্ষ মহিলাকে মাসিক ভাতা প্রদান, নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে কঠোরতর আইন প্রণয়ন ইত্যাদি বিশেষ উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।
সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ বৃদ্ধির সংবিধান সংশোধনী বিল আওয়ামী লীগ উত্থাপন করে। কিন্তু বিরোধী দল- বিএনপি-র সংসদ বর্জন ও অসহযোগিতার জন্য ঐ বিল পাস করা সম্ভব হয়নি। বিএনপি মহিলাদের সংরক্ষিত আসনের এবং নারীর ক্ষমতায়নের বিরোধিতা করেছে।
