আমাদের অঙ্গীকার,কর্মসূচী ও ঘোষণা

আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় – আমাদের অঙ্গীকার,কর্মসূচী ও ঘোষণা। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।

আমাদের অঙ্গীকার,কর্মসূচী ও ঘোষণা

 

আমাদের অঙ্গীকার,কর্মসূচী ও ঘোষণা

 

সংকটের আবর্তে নিমজ্জমান অবস্থা থেকে দেশকে পুনরুদ্ধার করে একটি উন্নত সমৃদ্ধ সুখী সুন্দর জীবন গড়ে তোলাই হচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের একমাত্র ব্রত। আগামী ২০২১ সালে আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। আর ২০২০ সাল হবে বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী।

আমরা ২০২০-২১ সাল নাগাদ এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছি যেখানে সম্ভাব্য উচ্চতম প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম। একটি দ্রুত বিকাশশীল অর্থনীতি দারিদ্র্যের লজ্জা ঘুচিয়ে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ নিশ্চিত করবে। একটি প্রকৃত অংশীদারিত্বমূলক সহিষ্ণু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা, যেখানে নিশ্চিত হবে সামাজিক ন্যায়বিচার, নারীর অধিকার ও সুযোগের সমতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার, সুশাসন, দূষণমুক্ত পরিবেশ।

 

গড়ে উঠবে এক অসাম্প্রদায়িক প্রগতিশীল উদার গণতান্ত্রিক কল্যাণরাষ্ট্র। এই ভিশন ও রূপকল্পের আলোকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রণয়ন করবে উপযুক্ত কৌশলপত্র, যার মূলে থাকবে পরিবর্তন বা দিনবদলের অঙ্গীকার। এই কৌশলপত্রে থাকবে দীর্ঘমেয়াদি পরিপ্রেক্ষিত এবং স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনা।

এই রূপকল্প বিবেচনায় রেখেই প্রণীত হয়েছে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের পরিশিষ্টে রূপকল্পটি সংযোজিত হয়েছে।

বিশ্বমন্দা এবং জাতীয় সমস্যাবলিকে বিবেচনায় রেখে উল্লেখিত রূপকল্প বা ভিশন ২০২১ সামনে রেখে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিম্নলিখিত নির্বাচনী অঙ্গীকার, কর্মসূচি ও ঘোষণা দেশবাসীর সামনে উপস্থাপন করছে।

 

আমাদের অঙ্গীকার,কর্মসূচী ও ঘোষণা

 

২০০৫ সালের ১৫ জুলাই ঘোষিত ১৪ দলের ৩১-দফা সংস্কার কর্মসূচি এবং ২২ নভেম্বর গৃহীত ২৩ দফা অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচির আলোকে এবং বিগত ৭ বছরের অভিজ্ঞতা ও বাস্তবতাকে বিবেচনায় রেখে প্রণীত হয়েছে এই কর্মসূচি। বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক সংকট বিবেচনায় পাঁচটি বিষয়ে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

Leave a Comment