আর্য সমাজ ও সভ্যতা

আমাদের আজকের আলোচনার বিষয় আর্য সমাজ ও সভ্যতা।

আর্য সমাজ ও সভ্যতা

 

আর্য সমাজ ও সভ্যতা

 

এক সময় ধারণা করা হতো যে আর্য সভ্যতাই ভারতের প্রাচীনতম সভ্যতা। কিন্তু সিন্ধু সভ্যতা আবিষ্কারের ফলে এই ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। তবে ভারতীয় উপমহাদেশে ঐতিহাসিক যুগের শুরু আর্যদের আগমন থেকেই। আর্যদের আদি বাসস্থান ও ভারতবর্ষে আগমন এবং ক্রমবিস্তারে বর্ণনা রয়েছে প্রথম পাঠে।

ঋগ্-বৈদিক ও পরবর্তী বৈদিক যুগে আর্যসমাজের ইতিহাস স্থান পেয়েছে দ্বিতীয় পাঠে। আর্যদের সমাজ ব্যবস্থা, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক জীবন ও ধর্মবিশ্বাস আলোচনা করে আর্য সভ্যতার পরিচয় দান করা হয়েছে। আর্য সমাজে ‘ধর্ম’ ক্ষেত্রে বৈদিক ধর্মের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ ভারতে জন্ম নিয়েছে দুটি নতুন ধর্মমত– জৈন ধর্ম ও বৌদ্ধ ধর্ম।

 

উপমহাদেশ ও বাংলার ইতিহাস বইটি প্রাচীন আর্যসভ্যতা থেকে আরম্ভ করে ১৫২৬ সাল পর্যন্ত্ সময়কে অবলম্বন করে রচিত হয়েছে। এ ভূখন্ডে আমাদের পূর্বপুরুষগণ কখন কিভাবে বসতি স্থাপন শুরু করেছিলেন, কেমন ছিল তাদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক জীবন, কিভাবে এ অঞ্চলে একদিন জনপদ তথা ছোট ছোট রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল, কিভাবে সেগুলো ভেঙ্গে নতুন নতুন রাজ্য ও সাম্রাজ্য এ অঞ্চলে বিস্তার লাভ করেছিল- সে সম্পর্কে একমাত্র ইতিহাসের এই বইটি পাঠ করেই আপনারা শিখতে পারবেন।

 

আর্য সমাজ ও সভ্যতা

 

ইতিহাস হচ্ছে মানুষের গড়া জীবন ও সমাজের প্রতিচ্ছবি। আমরা আমাদের সুদূর অতীত ও নিকট অতীত সম্পর্কে ইতিহাস থেকে জ্ঞান লাভ করে বর্তমানকে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করতে পারি। আমাদের সুদূরের অতীত সম্পর্কে জ্ঞাত না হলে আমরা কারা, কেন আমরা পৃথিবীর এই অঞ্চলে বসবাস করছি, আমাদের অতীত জীবন ও সমাজ কেমন ছিল, আমাদের পূর্বপুরুষগণ কিভাবে আমাদের জন্য এই ভূখন্ডে সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন, প্রাচীন ও মধ্যযুগে উপমহাদেশ ও বাংলার সমাজ-সংস্কৃতি কিভাবে বিকশিত হয়েছিল- এসব গুরুত্বপূর্ণ জ্ঞান আমরা অর্জন করতে পারবো না।

Leave a Comment