খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপ

আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় – খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপ। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।

 খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপ

 

খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপ

 

  • ২০০০-২০০১ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ১৩.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন নির্ধারণ করা হয়। প্রতি মৌসুমে বাজার মূল্যের চেয়ে উচ্চতর হারে খাদ্যশস্যের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করা হয়।
  • মৎস্য উপ-খাতে বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে চতুর্থ মৎস্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
  • ইফাদ-এর সহায়তায় ১০৯ কোটি টাকা ব্যয়ে মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। • জাটকা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের অর্থায়নে ৫১.৪৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প গৃহীত হয়।
  • আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জাতীয় আয়ের প্রায় ৫% এবং দেশীয় রপ্তানি আয়ের প্রায় ৬ শতাংশ আসে মৎস্য উপ-খাত থেকে।
  • পশু সম্পদের উন্নয়নের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহায়তায় ১৫১ কোটি টাকা ব্যয়ে অংশীদারিত্বমূলক পশুসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয় ।

 

  • চারটি পশু চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় স্থাপনের জন্য বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ রাখা হয়। • দেশে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়াতে ১৯৯৯/২০০০ অর্থবছরে নিজস্ব সম্পদে বিদেশ থেকে কোনো খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়নি।
  • খাদ্যশস্য সংরক্ষণ, মৌসুম ভেদে খাদ্যশস্যের বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখা, দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় খাদ্যশস্য অর্জনের ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহের জন্য দেশের কৌশলগত স্থানসমূহে নতুন খাদ্যগুদাম নির্মাণ করা হয়।
  • আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচির আওতায় ১৩ লাখ ৮ হাজার টন এবং গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় টেস্ট রিলিফ হিসেবে ৪ লাখ ৩২ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য জনসাধারণের মধ্যে বিতরণ করা হয়।
  • দুস্থ ও স্বল্প আয়ের জনগণের জন্য ন্যায্যমূল্যে খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ন্যায্যমূল্যে কার্ডের মাধ্যমে খাদ্যশস্য বিক্রয় করা হয়।

 

খাদ্যনিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপ

 

  • খাদ্য ও কৃষিনীতি নির্ধারণের লক্ষ্যে খাদ্য উৎপাদন ও ঘাটতি সম্পর্কে আগাম তথ্য সরবরাহ করা এবং খাদ্যশস্যের প্রাপ্যতা সম্পর্কে নীতি নির্ধারণ ও নিয়মিত সতর্ক করার লক্ষ্যে পূর্ব-সতর্কীকরণ এবং খাদ্য সংক্রান্ত তথ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শক্তিশালীকরণ শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

Leave a Comment