আমাদের আজকের আলোচনা বিষয় –পাট ও শিল্প নীতি। যা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল এর একটি অংশ।
পাট ও শিল্প নীতি
![পাট ও শিল্প নীতি [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 2 পাট ও শিল্প নীতি](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2007/01/আওয়ামী-লীগ01.jpg)
পাটনীতি
পাটের বাজারে বিদেশী আধিপত্য আজও বিদ্যমান। গরীব চাষীরা পাটের সর্ব নিম্ন দামও পাচ্ছে না। বর্তমান সরকার টাকার দাম কমিয়ে পাটের দাম বৃদ্ধির যে আশা দিয়েছিল তাহাও ব্যর্থ হয়েছে। মোটকথা পাট শিল্পকে জাতিয়করণ [জাতীয়করণ] না করলে এবং প্রতিটি রাষ্ট্রের সহিত সমপর্যায়ের ভিত্তিতে বাণিজ্য না করিলে পাট শিল্পের ভবিষ্যতই নেই।
এই জন্যেই যুক্তফ্রন্টের একুশ দফা কর্মসূচীতে পাট জাতীয়করণ করার ওয়াদা দেওয়া হয়েছিল। মোটকথা বৈদেশিক বাণিজ্য একচেটিয়া পুজিপতিদের অবাধ কর্তৃত্বের ফলে একদিকে যেমন বহুল পরিমাণে অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে, তেমনি পাটি চাষীরা ন্যায্য মূল্য হতে বঞ্চিত হতেছে, এবং পাটশিল্প হতে প্রাপ্ত আমাদের রাজস্বের হারও ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতেছে।
শিল্পনীতি
দেশীয় শিল্পপতিগণ আজ এক বিরাট সঙ্কটের সম্মুখীন। একদিকে বিদেশীদের সহিত প্রতিযোগীতায় মারখেয়ে তারা পঙ্গু, আবার অন্যদিকে দেশের বাজারের অধিকাংশ ক্রেতার ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় উৎপাদিত দ্রব্যের কেনা বেচা প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। দেশের প্রধান ক্রেতা কৃষক ও মধ্যবিত্ত শ্রেণী চরম আর্থিক সঙ্কটে বিপর্যস্ত, হাজার হাজার বেকার এই সঙ্কটকে আরও বৃদ্ধি করে চলেছে। দেশে শিল্প বাণিজ্য বিকাশের অভাবে এই সমস্ত শিক্ষিত অশিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান করা দূরুহ হয়ে পড়েছে। সরকারের বন্ধ্যা শিল্পনীতি এই সমস্যা প্রতিরোধে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
![পাট ও শিল্প নীতি [ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও নির্বাচিত দলিল ] 3 পাট ও শিল্প নীতি](https://bn.historygoln.com/wp-content/uploads/2007/01/আওয়ামী-লীগ02.jpeg)